স্পন্ডিলাইটিসের যন্ত্রণা বড় অসহ্য। দীর্ঘ সময়ে এক ভাবে বসে থাকলে বা শুয়ে থাকলে ঘাড়ে পিঠে অসহ্য ব্যথা হয়ে যায় এই রোগে। সেই সঙ্গে পিঠে বা কোমরে যন্ত্রণা থাকলে তো কথাই নেই। তবে স্পন্ডিলাইটিসেরও বিশেষ কিছু ধরন রয়েছে। সবচেয়ে মারাত্মক ধরনগুলির মধ্যে অন্যতম অ্যাঙ্কিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস। আবার যাঁরা স্লিপ ডিস্কের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদেরও মাঝেমধ্যে ঘাড়-কাঁধের ব্যথা ভোগায়। কেবল ওষুধ খেলে এই সমস্যার সমাধান হবে না। তার জন্য প্রয়োজন যোগাসন।
জ্যেষ্ঠিকাসন যোগাসনের এমন এক ভঙ্গি যা যে কোনও বয়সেই করা যায়। এই পদ্ধতি খুব কঠিন নয়। যাঁরা যোগাসন সবে শুরু করেছেন, তাঁরাও করতে পারেন।
কী ভাবে করবেন?
১) ম্যাটের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। পিঠ টানটান থাকবে।
২)কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে রাখতে হবে। দুই পা টানটান থাকবে।
৩) এ বার ঘাড়ের ঠিক উপরে দুই হাতের আঙুল জড়ো করুন। হাত মুষ্টিবদ্ধ করে রাখতে হবে। দুই হাতের কনুই থাকবে মাটিতে।
৪) ধীরে ধীরে মুষ্টিবদ্ধ হাত দিয়ে ঘাড়ে আলতো করে চাপ দিতে হবে। খুব বেশি জোর দেবেন না
আরও পড়ুন:
৫) এই সময়ে শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।
৬) এই প্রক্রিয়া টানা করে যেতে হবে যত ক্ষণ পারবেন। টানা ৫ মিনিট করতে পারলে ভাল হয়।
উপকারিতা:
স্পন্ডিলাইটিসের যন্ত্রণা কমে যাবে।
কাঁধ ও পিঠের ব্যথায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা এই আসন করলে উপকার পাবেন।
নিয়মিত আসনটি অভ্যাস করলে ঘাড় থেকে কোমর অবধি পেশির ব্যায়াম হবে।
মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় নাজেহাল যাঁরা, তাঁরাও আসনটি করলে উপকার পেতে পারেন।
মানসিক চাপ কমবে আসনটি নিয়মিত অভ্যাসে।
কারা করবেন না?
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আসনটি না করাই ভাল।
পেটে কোনও রকম অস্ত্রোপচার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আসনটি করবেন না।