Advertisement
E-Paper

শর্করা বাদ, প্রোটিন-ফ্যাট সর্বস্ব কিটো ডায়েট করেও ওজন কমছে না! ৫টি ভুল করছেন না তো?

স্বাস্থ্যসচেতনদের একাংশের বিশ্বাস ছিল, এই ডায়েটে কয়েক মাসে বাড়তি চর্বি ঝরে যাবে। বেশ কিছু নজিরও রয়েছে কিটো ডায়েটের সাফল্যের। কিন্তু সেই সঙ্গে ব্যর্থতার উদাহরণও কম নয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ২১:০৩
কিটোয় ভুল কোথায়?

কিটোয় ভুল কোথায়? ছবি: সংগৃহীত।

ডায়েট মানেই এ যুগে সবার আগে কার্বোহাইড্রেট কর্তন। ওজন কমাতে গেলেই পুষ্টিবিদেরা সারা দিনের ভাত-রুটি-লুচি-পরোটা-মিষ্টির হিসাব কষতে বসেন। কারণ, শর্করা জমলেই মেদের বাড়বাড়ন্ত হবে। আর সেই বিশ্বাস থেকেই উদ্ভব কিটো ডায়েটের। যেখানে সকাল থেকে রাত খাবারের থালায় শর্করা থাকবে নামমাত্র বা বলা ভাল থাকবেই না। তার বদলে যত খুশি প্রোটিন আর ফ্যাট খাওয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্যসচেতনদের একাংশের বিশ্বাস ছিল, এই ডায়েটে কয়েক মাসে বাড়তি চর্বি ঝরে যাবে। বেশ কিছু নজিরও রয়েছে কিটো ডায়েটের সাফল্যের। কিন্তু সেই সঙ্গে ব্যর্থতার উদাহরণও কম নয়। অনেকেই ইদানীং কিটো ডায়েট করেও ওজন ঝরাতে পারছেন না। আর তার কারণ পদ্ধতিগত কিছু ভুল।

১। নামমাত্র শর্করা বললে দৈনিক কতটা শর্করা বোঝায়? নিজের মতো করে অনেকেই সেই পরিমাণ ঠিক করে নেন। কিন্তু কিটো ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা নির্দিষ্ট। দিনে ২০-৫০ গ্রামের বেশি নয় কিছুতেই।

২। নানা ধরনের প্রোটিন আর ফ্যাট খেতে গিয়ে অনেকেই প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে ফেলেন। সালামি, সসেজ, বেকন, হ্যাম, হট ডগ, পেপারোনি ইত্যাদি। এই ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবার লিভারের জন্য ক্ষতিকর। আর যেহেতু লিভার ভাল না থাকলে বিপাকের প্রক্রিয়াটিই ভাল রাখা সম্ভব হয় না, তাই নিয়মিত খেলে ওজন কমার বদলে বাড়তে পারে।

৩। ডায়েট করলেন কিন্তু উপযুক্ত বিশ্রাম নিলেন না, তাতেও সমস্যা হতে পারে। যে কোনও ডায়েটই ব্যর্থ হতে পারে রাতে পর্যাপ্ত না ঘুমোলে। তাই কার্বোহাইড্রেট বাদ দিলেও ঘুম বাদ দেবেন না। রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমোনোর চেষ্টা করুন।

৪। শুধু ডায়েট করে ওজন ঝরানোর চেষ্টা করেন অনেকেই। কিটে ডায়েটেও শরীরচর্চা বাধ্যতামূলক নয়। তবে অনেক সময় ফ্যাট আর প্রোটিন হজম করার জন্য শরীরকে সক্রিয় করা জরুরি। তাই নিয়মমাফিক শরীরচর্চা না করলেও সারাদিনে হাঁটাহাঁটির পরিমাণ বৃদ্ধির চেষ্টা করুন।

৫। প্রোটিন-ফ্যাট যথেচ্ছ খাওয়া মানে এই নয় দিনে ২০০০ ক্যালোরির খাবার খেয়ে ফেললেন। ক্যালোরি মাপতে হয় কিটো ডায়েটেও। তাই মাছ, মাংস, ডিম যা-ই থান তা পরিমাণ মেপেই খেতে হবে।

৬। যদি মানসিক চাপে থাকেন, তাহলেও ডায়েট কাজ করবে না। মাত্রাছাড়া কর্টিসলই বাধা দেবে ওজন ঝরাতে। বদলে শরীরকে বেশি করে ফ্যাট জমিয়ে রাখার সঙ্কেত দিতে পারে।

৭। মাংস হলেও মদ নয়। কিটো ডায়েট করছেন বলে রাতে তন্দুরি চিকেন আর পানপাত্র নিয়ে বসলেন— তা হলে মুশকিল। সে ক্ষেত্রেও শরীরে ক্যালোরি জমে মেদ বাড়তে পারে।

Keto Diet
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy