জীবনপথে চলতে গিয়ে নানা বাধাবিঘ্নের সম্মুখীন হতে হয় আমাদের। কখনও তা ব্যক্তিজীবনে ঘটে, কখনও বা সঙ্কট পিছু ছাড়ে না কর্মক্ষেত্রে। আবার কখনও ঋণের জাল থেকে রেহাই মেলে না। অনিদ্রা, মনোযোগের অভাব ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আর এ সব কিছুর ফলেই জীবন কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, জীবনযাত্রায় ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপই এই সব সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। জেনে নিন সেগুলি কী কী—
- অতিরিক্ত বিবাদ: কারণে-অকারণে প্রায়ই নানা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন অনেকে। পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব তো বটেই, ঝামেলা বাধে সহকর্মীদের সঙ্গেও। প্রত্যেক শুক্রবার মা লক্ষ্মীকে নিষ্ঠাভরে পুজো করুন এবং সাদা পদ্ম অর্পণ করুন। সুফল পাবেন।
আরও পড়ুন:
- প্রকাশ করার অক্ষমতা: অনেক মানুষই খুব প্রয়োজনেও মনের কথা মুখ ফুটে বলে উঠতে পারেন না। এর ফলে আত্মীয়-বন্ধুরা ভুল বুঝতে পারেন। সহকর্মীরা ভুল ভাবে এই দুর্বলতার সুযোগও নিতে পারেন। গরুকে যত্ন করে সবুজ ঘাস খাওয়ালে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।
- ঋণ: বহু চেষ্টা করেও অনেক সময় ঋণের জাল থেকে নিস্তার মেলে না। এ নিয়ে অনেকেই নিজেকে হীন ভাবতে শুরু করেন। হনুমানজিকে ছোলা উৎসর্গ করার মধ্যেই লুকিয়ে আছে এই সঙ্কট থেকে মুক্তির উপায়।
আরও পড়ুন:
- মনোযোগের অভাব: চেষ্টা করেও পড়াশোনায় বা কাজে একাগ্রতা অধরা রয়ে যায় বহু মানুষের ক্ষেত্রে। এর ফল ভুগতে হয় বছরশেষের পরীক্ষায় কিংবা পদোন্নতিতে। প্রত্যেক দিন একমনে ‘আদিত্যহৃদয় স্তোত্র’ পাঠ করলে উপকার মিলবে সহজেই।
- আবর্তে আটকে যাওয়া: একই পরিস্থিতে বার বার আটকে পড়ছেন, কোনও উপায়েই তা থেকে নিষ্কৃতি মিলছে না? সমস্যার সমাধান হবে ভোলেবাবার আশীর্বাদে। প্রতি দিন ভক্তিভরে তাঁকে পরিষ্কার জলে স্নান করান, ত্রাতা হবেন দেবাদিদেব।
আরও পড়ুন:
- অনিদ্রা: সারা দিন পরিশ্রমের পরে ক্লান্তিতে শরীর ভেঙে পড়লেও অনেকেরই দু’চোখের পাতা এক হতে চায় না। ক্ষতিগ্রস্ত হয় স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে পড়াশোনা, কাজকর্ম সবই। রুপোর গ্লাসে জল পান করুন, কৃপা করবেন নিদ্রাদেবী।