Advertisement
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
Astrological Tips

নিত্য দাম্পত্য কলহ লেগে থাকে? জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, রজনীগন্ধা ফুলই ফেরাতে পারে শান্তি

জ্যোতিষশাস্ত্রে বাড়িতে ফুলগাছ লাগানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে কিছু টোটকা করলে বাস্তুদোষ অনেকাংশে কেটে যাবে এবং দাম্পত্য জীবন সুখের হবে।

জ্যোতিষশাস্ত্র মেনে রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে কিছু টোটকা করলে বাস্তুদোষ এবং দাম্পত্য কলহের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

জ্যোতিষশাস্ত্র মেনে রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে কিছু টোটকা করলে বাস্তুদোষ এবং দাম্পত্য কলহের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। ছবি: সংগৃহীত।

শ্রীমতী অপালা
কলকাতা শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৮:৫৫
Share: Save:

ফুল ভালবাসে না এমন মানুষ প্রায় নেই বললেই চলে। ফুল মানুষের জীবন সুখ এবং ভালবাসায় ভরিয়ে রাখে। এ ছাড়া, বাড়িতে ফুলগাছ লাগানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। ফুলগাছ বাড়িতে রাখলে অশুভ শক্তি দূর হয়। বাড়িতে শুভ শক্তির সঞ্চার হয়। বাস্তুদোষ দূর করতেও সাহায্য করে এই ফুল।

Advertisement

অনেক বাড়িতেই দেখা যায়, দাম্পত্য কলহ লেগেই রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতের অমিল এবং সারা দিন ঝগড়া হওয়া থেকে মুক্তি দিতে পারে রজনীগন্ধা ফুল। জ্যোতিষশাস্ত্র মেনে রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে কিছু টোটকা করলে বাস্তুদোষ এবং দাম্পত্য কলহের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

কোন টোটকাগুলি করবেন?

১) বাড়িতে ছোট জায়গার মধ্যে হলেও একটি ফুলের বাগান তৈরি করুন এবং সেখানে প্রচুর রজনীগন্ধা ফুলের গাছ লাগান। যদি বাড়িতে বাগান করা সম্ভব না হয়, তা হলে টবের মধ্যেও রজনীগন্ধা ফুলের গাছ লাগাতে পারেন। এর ফলে দাম্পত্য জীবনে সুখের সঞ্চার হবে এবং বাস্তুদোষের হাত থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

Advertisement

২) বাড়িতে শান্তি বজায় রাখতে হলে প্রতি দিন বাড়ির ইষ্ট দেবতাকে রজনীগন্ধা ফুলের মালা পরান। এর ফলে ঈশ্বরের আশির্বাদে বাড়িতে নতুন করে সুখ ও শান্তি বিরাজ করবে।

৩) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মধুর সম্পর্ক বজায় রাখতে, শোয়ার ঘরের ফুলদানিতে রজনীগন্ধা সাজিয়ে রাখুন। এতে দাম্পত্য জীবনে শান্তি বজায় থাকবে। তবে ফুল শুকিয়ে গেলে তা দ্রুত বদলে ফেলতে হবে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.