ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন সকলেই দেখেন। কিন্তু তা পূরণ করতে সকলে পারেন না। ভাগ্যে সুপরিবর্তন আনতে চাইলেই তা করে ফেলা সম্ভব হয় না। এর জন্য জন্মছকে নানা গ্রহের অবস্থান অনেকটা নির্ভর করে। গ্রহের দশা, অন্তদশা ও মহাদশার উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রে ভাগ্যের সদ্গতি আনার নানা উপায়ের কথা বলা রয়েছে। তবে ব্যস্ত জীবনে ধৈর্য ধরে সে সকল নিয়ম মেনে চলা সকলের পক্ষে সম্ভবপর হয় না। যদিও কিছু অতি সহজ নিয়মের কথাও জ্যোতিষশাস্ত্র বলেছে। সেই রকমই এক উপায় রয়েছে যা টানা ১১ দিন করতে পারলে ভাগ্যের ভোল বদলাবে নিশ্চিত। কী করতে হবে, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
-
শূন্যে শেষ হওয়া মূল্য উপহার হিসাবে নৈব নৈব চ, সঙ্গে এক টাকার মুদ্রা দিতেই হবে! কিন্তু কেন? নেপথ্যকারণ জেনে নিন
-
শনিবার সোনা কিনলে কি সমস্যা হয়? ওই দিন লোহা কেনাবেচা করা কি নিষিদ্ধ? জ্যোতিষীর থেকে জেনে নিন
-
ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক বা উপার্জনের নতুন পথ খোলা, ধনের গুণে সবটাই হবে! মানতে হবে চার টোটকা
ভাগ্যের ভোল বদলানোর উপায়:
একটি তামার ঘটে জল নিন। তার মধ্যে একটা এক টাকার কয়েন আর একটা লবঙ্গ দিয়ে ঘটটি ঢাকা দিয়ে সিংহাসনের সামনে রেখে দিন। তার পর সেটির সামনে বসে তিন বার হনুমান চালিশা পাঠ করুন। তার পর মনোস্কামনা জানান। পর পর ১১ দিন সেই ঘটের সামনে বসে তিন বার হনুমান চালিশা পাঠ করতে হবে ও মনোস্কামনা জানাতে হবে। বিভিন্ন দিনে ভিন্ন ভিন্ন মনের ইচ্ছা জানালে চলবে না, একটাই ইচ্ছা প্রতি দিন জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রথম দিন যে সময় বসে হনুমান চালিশা পাঠ করলেন, পর পর ১০ দিন ঘড়ি ধরে ঠিক সেই সময়েই হনুমান চালিশা পাঠ করতে হবে। তা হলেই পূর্ণ সুফল মিলবে। ১১ নম্বর দিনে ঘটের ঢাকনা খুলে এক টাকার কয়েনটি নিয়ে নিজের কাছে রেখে দিন। ঘটে থাকা জলের কিছুটা সারা বাড়িয়ে ছিটিয়ে দিন। বাকি জল গাছের গোড়ায় ঢেলে দিন। দেখবেন এর কিছু দিন পরই হাতেনাতে ফল পাচ্ছেন। মনোস্কামনা পূরণ হতে বিশেষ সময় লাগবে না।