সকালে পুজো শেষে এবং সন্ধ্যাবেলা শঙ্খ বাজানো হিন্দু ধর্মের এক প্রাচীন রীতি। প্রায় সব হিন্দু বাড়িতেই সন্ধ্যাবেলা শঙ্খ বাজানোর নিয়ম রয়েছে। তবে মনে করা হয়, সকালবেলা পুজো করার পর শঙ্খ বাজানো খুবই শুভ। এ ছাড়া এটাও মানা হয়, যে বাড়িতে শঙ্খ বাজানো হয়, সেই গৃহে দেবদেবীর বাস হয়। তবে একটা কথা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে শঙ্খ তিন বারের বেশি বাজানো যাবে না।
আরও পড়ুন:
শঙ্খ কেন বাজাতে হয়?
পুজো করার সময় দেবদেবীদের আমন্ত্রণ জানানো হয় শঙ্খ বাজানোর মাধ্যমে। যে বাড়িতে নিয়মিত শঙ্খ বাজানো হয়, সেই গৃহে দেবদেবীর বাস-সহ তাঁদের কৃপা লাভ করা যায়। এ ছাড়া শঙ্খ বাজালে বাড়িতে যদি কোনও প্রকার অশুভ শক্তি থাকে তা শঙ্খধ্বনিতে ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং শুভ শক্তির আহ্বান ঘটে। সংসারের সুখ-শান্তি বজায় থাকে এবং পরিবারের সকলের মন ও স্বাস্থ্য ভাল থাকে। সাধারণত যে বাড়িতে শঙ্খ বাজানো হয়, সেই বাড়ি সদা বিপন্মুক্ত থাকে। ভাগ্য ও আর্থিক উন্নতির জন্য শঙ্খের ব্যবহার অপরিহার্য।
আরও পড়ুন:
শঙ্খ কেন তিন বারের বেশি বাজাতে নেই?
তিন বার শঙ্খ বাজানোর অর্থ হল দেব-দেবীকে আমন্ত্রণ জানানো। বিশ্বাস করা হয় যে, তিন বার শঙ্খ বাজিয়ে মহাদেব, ব্রহ্মা ও বিষ্ণুদেবকে সন্তুষ্ট করা হয়। যদি তিন বারের বেশি শঙ্খ বাজানো হয়, তা হলে দেব-দেবীরা অসন্তুষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অসুরীয় শক্তিকে আহ্বান করা হয়। অসুরীয় শক্তির বাস্তুতে প্রবেশ মানে অশুভ শক্তির প্রভাব বিস্তার করা। এর ফলে বাড়িতে নানা রূপ সঙ্কট দেখা দেয়। পরিবারের উপর নানা বিপদ আসার আশঙ্কা দ্বিগুণ হয়। ধীরে ধীরে আর্থিক অবনতিও শুরু হয়।