প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয় সরস্বতীপুজো। এই বছর ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার বিদ্যার দেবীকে বন্দনা করা হবে। নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি, পাড়া প্রভৃতি জায়গায় আড়ম্বরের সঙ্গে সরস্বতীপুজো করা হয়। নিষ্ঠাভরে দেবী সরস্বতীর আরাধনা করলে শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ উন্নতি লাভ করা যায়। এরই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রেও সফলতা লাভ করতে সুবিধা হয়। শাস্ত্রমতে, রাশিচক্রের প্রতিটি রাশির উপরই কোনও না কোনও দেবতার আশীর্বাদ থাকে। সেই অনুযায়ী বিচার করে দেখা যাচ্ছে, রাশিচক্রের পাঁচ রাশির জাতক-জাতিকাদের উপর দেবী সরস্বতীর কৃপা থাকে। এঁরা বিদ্যার দেবীর বরপ্রাপ্ত হন। তালিকায় আপনার রাশি রয়েছে কি না, দেখে নিন।
আরও পড়ুন:
কোন পাঁচ রাশি বিদ্যার দেবীর বরপ্রাপ্ত?
মেষ: রাশিচক্রের প্রথম রাশি মেষ জাতক-জাতিকাদের রক্ষা করে চলেন দেবী সরস্বতী। বিদ্যার দেবীর কৃপায় এঁদের মধ্যে যেমন সাহসের অভাব থাকে না, তেমনই এঁদের বুদ্ধিও হয় প্রখর। নানা বিষয়ে জ্ঞান আহরণ করতে ভালবাসেন মেষ জাতক-জাতিকারা। লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগের অভাব দেখা যায় না। এঁরা উচ্চাকাঙ্ক্ষী হন এবং তাঁদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সাহায্য করেন দেবী সরস্বতী।
মিথুন: বুধের রাশি মিথুন জাতক-জাতিকারা সরস্বতীর কৃপাপ্রার্থী। সৃজনশীল কাজের প্রতি এঁদের ঝোঁক একটু বেশিই থাকে। মিথুন জাতক-জাতিকারা কৌতূহলী প্রকৃতির হন। যে কোনও বিষয়ে জানতে ও শিখতে ভালবাসেন মিথুন জাতক-জাতিকারা। বয়সের সঙ্গে এঁদের জ্ঞানও বৃদ্ধি পায়। যে কোনও কাজ এঁরা দক্ষতার সঙ্গে করতে পারেন।
আরও পড়ুন:
কন্যা: কন্যা জাতক-জাতিকারা যে কোনও কাজ নিখুঁত ভাবে করতে পছন্দ করেন। দেবী সরস্বতীর কৃপায় এঁরা সেটা করতে সক্ষমও হন। কন্যা জাতক-জাতিকারা ধীরস্থির প্রকৃতির হয়ে থাকেন। সময়ের কাজ এঁরা সময়ে করতে ভালবাসেন। যে কোনও কাজ এঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে করেন। কাজে ফাঁকি দেওয়া কন্যা জাতক-জাতিকাদের রাশিগত প্রকৃতিতে নেই।
ধনু: সরস্বতীর কৃপায় আলোকিত হয় ধনু জাতক-জাতিকাদের ভাগ্য। এঁদের কর্মদক্ষতা হয় প্রশংসনীয়। কঠোর পরিশ্রম করতে এঁরা ভয় পান না। জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়লেও এঁরা মাথা ঠান্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। সাহায্য করেন দেবী সরস্বতী। দেবীর কৃপায় ও নিজের পরিশ্রম করার ক্ষমতার বলে ধনু জাতক-জাতিকারা সফলতার শীর্ষে পৌঁছোতে পারেন।
আরও পড়ুন:
কুম্ভ: কুম্ভ জাতক-জাতিকারা সরস্বতীর বরপ্রাপ্ত হন। এঁরা সৎ পথে জীবন কাটাতে ভালবাসেন। অযথা মিথ্যা বলা এঁদের পছন্দ নয়। সেই কারণে কুম্ভ জাতক-জাতিকারা বিদ্যার দেবীর বিশেষ কৃপাদৃষ্টি লাভ করেন। এঁরা সাধারণত উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হন। কম বয়স থেকেই এঁদের পড়াশোনার প্রতি বিশেষ ঝোঁক থাকতে দেখা যায়। এরই সঙ্গে নতুন নতুন জিনিস শিখতেও পছন্দ করে কুম্ভ রাশির ব্যক্তিরা।