পয়লা বৈশাখ, বাঙালির নববর্ষ। আর এই বিশেষ দিনটিতে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়াদাওয়া তো চলবেই। আমিষ-নিরামিষের বিভিন্ন পদের ছড়াছড়ি। নতুন জামাকাপড় পরে হালখাতা সারতে যাওয়ার পাশাপাশি ভূরিভোজ— সবই এই নববর্ষ পার্বণের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িয়ে। বছরের শুরুর দিনটি যেমন কাটাবেন বছরের বাকি দিনগুলিও তেমন কাটবে বলে মনে করা হয়। তাই বছরভর সুস্থ ও সুন্দর ভাবে কাটাতে বাঙালি নববর্ষেও বেশ কিছু জিনিস মেনে চলা উচিত বলে মনে করছে জ্যোতিষশাস্ত্র। বিশেষ করে খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে।
পয়লা বৈশাখে আমরা পুরনো বছরের সমস্ত খারাপকে পিছনে ফেলে রেখে নতুন বছরকে ভাল করে তোলার যাত্রা শুরু করি। নববর্ষের দিনে জমিয়ে খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও কিছু বিধিনিষেধ মেনে চললে সারা বছর সুখ-সমৃদ্ধি উপচে পড়বে জীবনে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, কিছু খাবার রয়েছে যা এই দিন খাওয়া উচিত এবং কিছু খাবার রয়েছে যা একেবারেই খাওয়া উচিত নয়।
আরও পড়ুন:
তীব্র গরমে পেটকে শান্তি দিতে হালকা খাওয়াই শ্রেয়। বছরের প্রথম দিনে খাওয়ার তালিকায় ছাতুকে অবশ্যই রাখবেন। ছাতুর সরবত যেমন পেট ঠান্ডা রাখে তেমনই পয়লা বৈশাখের দিন ছাতু খাওয়া অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়াও বছরের প্রথম দিনে বাড়িতে অবশ্যই পায়েস রান্না করবেন। বাঙালির শুভ অনুষ্ঠানের সঙ্গে পরমান্ন ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তাই পায়েস মুখে দিয়ে দিনটিকে শুভ করে তুলতে পারেন।
বাঙালির উৎসব মানেই নানা ধরনের মিষ্টির সমাহার। পয়লা বৈশাখও তাই মিষ্টি ছাড়া অসম্পূর্ণ। এই দিন বাড়ির সমস্ত সদস্যের মিষ্টিমুখ করা উচিত। তবে মিষ্টি খাওয়া মানেই কিন্তু লাগামছাড়া নয়। এই দিন বাড়িতে আসা অতিথিকে অবশ্যই মিষ্টিমুখ করাবেন। বৈশাখ মানেই নানারকম রসালো ফলের দিন। এই দিনে বাড়ির প্রত্যেকেরই কোনও না কোনও ফল খাওয়া উচিত।
বছরের প্রথম দিনটিতে বাসি খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। টাটকা খাবার খেলেই ভাল। এ ছাড়াও বেশি ভাজাভুজি ও পোড়া খাবার না খাওয়াই ভাল।