পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতে রান্নার গ্যাস এবং বাণিজ্যিক গ্যাস নিয়ে দেশ জুড়ে যে উদ্বেগের ছবি ধরা পড়েছে গত কয়েক দিন ধরে, সেই পরিস্থিতি কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হয়েছে। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে রাজ্যগুলি গ্যাসের কালোবাজারি এবং গ্যাসের সঙ্কট মেটাতে নানা রকম পদক্ষেপ করছে। ছত্তীসগঢ়ে রাজ্য জুড়ে গ্যাসের কালোবাজির রুখতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসনগুলি।
জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ২১৪টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশি অভিযানে ১০১৩টি গ্যাস সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রাজ্যে খাদ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, সবচেয়ে বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত হয়েছে রায়পুর থেকে। সেখানে ৩৯২টি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়। তার পরে বিলাসপুর। সেখানে ২০১টি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
খাদ্য দফতরের সচিব রিনা বাবাসাহেব কাঙ্গালে জানিয়েছেন, গ্যাসের সরবরাহ মসৃণ রাখতে জেলায় জেলায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোথাও কোনও কালোবাজারি হচ্ছে কি না, গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে রাখা হচ্ছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরবরাহ মসৃণ রাখতে গুরুত্বের ভিত্তিতে তা সরবরাহ করা হচ্ছে। খাদ্য দফতরের সচিব স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোথাও কোনও কালোবাজারি, সিলিন্ডার মজুতের খবর পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের শহরাঞ্চলগুলিতে পাইপলাইনে গ্যাস (পিএনজি) সরবরাহের পরিধি বৃদ্ধি করতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পিএনজি সংযোগ বাড়ানোর জন্য শহরাঞ্চলে পাইপলাইন গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থাগুলিকে (সিজিডি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, এলপিজি সিলিন্ডারের মজুতদারি ও কালোবাজারি প্রতিরোধে রাজ্য সরকারগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বার্তাও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।