মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে ত্রুজ়ডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৩। রবিবার সকালে আরও দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পাঁচ বছরের এক শিশু এবং তাঁর কাকার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ১৩ জন নিখোঁজ ছিলেন। শনিবারের মধ্যে ১১ জনের দেহ উদ্ধার হয়। রবিবার বাকি দু’জনেরও দেহ মিলল বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর। যে ক্রুজ়টি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছে, সেটি ২০ বছরের পুরনো বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এত পুরনো ক্রুজ়টিকে কী ভাবে চালানোর অনুমতি দেওয়া হল। ক্রুজ়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না বলেও অভিযোগ।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার নর্মদার বারগী বাঁধে ৪০ জন পর্যটককে নিয়ে ডুবে যায় ক্রুজ়। শনিবার আরও দুই শিশুর দেহ উদ্ধার হয়। ফলে এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১। শুক্রবার আট জন মহিলা এবং এক শিশুর দেহ উদ্ধার হয়। শনিবার আরও দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি ক্রুজ়ে ৪১ জন পর্যটক উঠেছিলেন। তার পর সেটি নর্মদার মাঝ বরাবর যেতেই হঠাৎ ঝড় শুরু হয়ে যায়। নদীর জলের ঢেউ বাড়তে থাকে। জল উথালপাথাল করতে থাকে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রচণ্ড বেগে হাওয়া চলছিল। পার থেকেই ক্রুজ় চালককে সতর্ক করেন অনেকে। সেটিকে পারে ফিরিয়ে আনার জন্য বলা হচ্ছিল বার বার। কিন্তু বেশ কিছু ক্ষণ ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করার পর ক্রুজ়টি এক দিকে হেলে যায়। তার পর সেটি ধীরে ধীরে জলে তলিয়ে যায়। স্থানীয়েরা অবশ্য কয়েক জনকে দড়ির সাহায্যে উদ্ধার করেন। তাঁদের পরনে লাইফজ্যাকেট ছিল। ক্রুজ়টির ছাদের দিক জলের নীচে চলে যায়। ফলে অনেকে লাইফজ্যাকেট পরে থাকা সত্ত্বেও ভিতরে আটকে পড়েছিলেন।