Advertisement
E-Paper

৫০০ চার্জশিট জমা দিতেই হবে এই অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে! তদন্তকারী আধিকারিকদের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করে দিল ইডি

তদন্তকারীদের বলা হয়েছে, এক বার মামলা দায়ের হয়ে গেলে এক-দুই বছরের মধ্যে সেই তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। একমাত্র ‘জটিল’ কিছু মামলাকে ব্যতিক্রমী হিসাবে রাখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩৬
ইডির অভিযানে উদ্ধার হওয়া টাকা।

ইডির অভিযানে উদ্ধার হওয়া টাকা। —ফাইল চিত্র।

চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে ৫০০টি চার্জশিট জমা দিতেই হবে। আধিকারিকদের জন্য এই লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। গত বৃহস্পতিবার থেকে অসমের গুয়াহাটিতে তিন দিনের বৈঠকে বসেছিল ইডি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইডি ডিরেক্টর রাহুল নবীন। ওই বৈঠকেই তদন্তকারীদের এই চার্জশিটের লক্ষ্যমাত্রা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইডির জ়োনাল আধিকারিকদের এই ত্রৈমাসিক সম্মেলনটি হয়েছে। গত বছর থেকে এই ধরনের সম্মেলনগুলি দিল্লির বাইরে করা শুরু হয়েছে। এর আগে গুজরাতের কেভাড়িয়া এবং জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে এই ধরনের বৈঠক সেরেছে ইডি। এ বারের বৈঠক ছিল গুয়াহাটিতে। তিন দিনের ওই বৈঠকের নির্যাস ইতিমধ্যে নিজেদের সমাজমাধ্যম হ্যান্ডলে পোস্ট করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে ৫০০টি চার্জশিট (প্রসিকিউশন কমপ্লেইন্ট) জমা করার লক্ষ্যমাত্রার কথা স্মরণ করানো হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্যও বলা হয়।

একই সঙ্গে এ-ও বলা হয়েছে, এক বার মামলা দায়ের হয়ে গেলে এক-দুই বছরের মধ্যে সেই তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। একমাত্র ‘জটিল’ কিছু মামলাকে ব্যতিক্রমী হিসাবে রাখা হচ্ছে। বস্তুত, ইডির কর্মপদ্ধতি নিয়ে অতীতে বার বার প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন আদালতে। এমনকি সুপ্রিম কোর্টেও বিভিন্ন মামলায় প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে ইডি-কে। কখনও আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, দোষী সাব্যস্ত না বলেও দিনের পর দিন অভিযুক্তদের বন্দি করা রাখা হচ্ছে। আবার কখনও বলা হয়েছে, যোগসূত্র ছাড়াই অভিযোগ চাপানো স্বভাবে পরিণত হচ্ছে। এ অবস্থায় তদন্তকারী আধিকারিকদের উদ্দেশে ইডির এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

চলতি অর্থবর্ষ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। তার ঠিক আগে গুয়াহাটির এই বৈঠক আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেখানে ৫০০ চার্জশিটের লক্ষ্যমাত্রার কথা উল্লেখ করে তদন্তকারীদের বলা হয়েছে, এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, তদন্তকে সঠিক ভাবে শেষ করা এবং সময়মতো পদক্ষেপের উপর জোর দিতে হবে। ইডির দাবি, জটিল (ব্যতিক্রমী) কিছু মামলা ছাড়া অন্য মামলার ক্ষেত্র তদন্তের সময়সীমা কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই চার্জশিটের এই লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। সরকারি হিসাব বলছে, গত বছরে আর্থিক তছরুপের মামলায় ৯৪.৮২ শতাংশ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে সাজা নিশ্চিত করেছে ইডি। সংসদে এ বছরের বাজেট অধিবেশন চলাকালীন রাজ্যসভায় এই তথ্য তুলে ধরেছে কেন্দ্র।

Enforcement Directorate chargesheet PMLA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy