অজিত পওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে এ বার আমেরিকা থেকে বিশেষজ্ঞ-সাহায্য নিচ্ছে এয়ারক্র্যাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)। বিমানের ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের তথ্য সংগ্রহের জন্য ওই সাহায্য চাওয়া হয়েছে। অজিতের বিমান দুর্ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে মঙ্গলবার একটি বিবৃতি দিয়েছে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। সেখানেই এই তথ্য উঠে এসেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভেঙে পড়া বিমানটিতে দু’টি ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল। দুর্ঘটনার সময়ে দু’টিই দীর্ঘ সময় ধরে আগুন এবং তাপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি রয়েছে ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার, অন্যটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। এল৩-কমিউনিকেশন্সের তৈরি় ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারটি ইতিমধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে এএআইবি-র ল্যাবরেটরিতে। সেটি থেকে তথ্য ডাউনলোড করা হয়েছে।
তবে ককপিট ভয়েস রেকর্ডারটি এখনও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এটি তৈরি করেছে হানিওয়েল নামে এক সংস্থা। এটি থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য বিশেষজ্ঞ সাহায্য চাওয়া হয়েছে। এএআইবি অবশ্য সরাসরি কোনও দেশের নামোল্লেখ করেনি। যে দেশের ককপিট ভয়েস রেকর্ডারটি তৈরি হয়েছে, সেই দেশের সরকার অনুমোদিত প্রতিনিধির কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বলে জানিয়েছে এএআইবি। পিটিআই জানাচ্ছে, এ ক্ষেত্রে ককপিট ভয়েস রেকর্ডারটি তৈরি হয়েছে আমেরিকায়।
আরও পড়ুন:
গত ২৮ জানুয়ারি ‘লিয়ারজেট ৪৫’ বিমানে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন অজিত। বারামতীতে অবতরণের সময়েই ভেঙে পড়ে বিমানটি। দুর্ঘটনার সময়ে বিমানে অজিত-সহ পাঁচজন ছিলেন। বিমান ভেঙে সকলেরই মৃত্যু হয়। কী কারণে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালাচ্ছে বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা এএআইবি।
সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার পরের দিন সকালে ‘লিয়ারজেট ৪৫’-এর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার হয়। নাম ব্ল্যাকবক্স হলেও ককপিটে থাকা এই যন্ত্রের রং আদৌ কালো নয়। বরং বাক্সটি সাধারণত কমলা রঙের হয়। বিমানের ধ্বংসাবশেষের ভিতরেও যাতে সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়, সে জন্যই যন্ত্রটিতে এ রকম উজ্জ্বল রং করা হয়। ব্ল্যাক বক্সে দু’টি যন্ত্র থাকে— ককপিট ভয়েস রেকর্ডার এবং ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার।