রামমন্দিরের ১৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে আমিষ খাবার ডেলিভার করা যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দিল অযোধ্যার প্রশাসন। প্রশাসনের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, পুরসভার বারণ থাকা সত্ত্বেও অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাগুলি আমিষ খাবার সরবরাহ করছে মন্দিরের আশপাশের এলাকায়। তাতেই এ বার লাগাম পরানোর পদক্ষেপ করা হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘পাঁচকোশী পরিক্রমা’ এলাকার মধ্যেও সরবরাহ করা হচ্ছে আমিষ খাবার। তা করছে অনলাইন সংস্থা। প্রসঙ্গত, মন্দিরের চারপাশে ১৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকাকে বলে ‘পাঁচকোশী পরিক্রমা’। প্রশাসনের একটি সূত্র বলছে, বারণ থাকলেও ওই এলাকায় বেশ কিছু হোটেল বা হোমস্টেতে আমিষ খাবার পরিবেশন করা হয়। এমনকি, অতিথিদের মদ্যপানের ব্যবস্থাও রয়েছে কোথাও কোথাও। এই নিয়ে ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন:
২০২৫ সালের মে মাসে অযোধ্যা পুরসভা সিদ্ধান্ত নেয়, অযোধ্যা এবং ফৈজ়াবাদের সংযোগকারী ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রামপথে পাশে মদ বা আমিষ বিক্রি করা যাবে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি এখনও। রাস্তার পাশে বহু দোকানে এখানও মদ বিক্রি হয়। এই নিয়ে পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই পাম পথের পাশে থাকা মাংসের দোকান বন্ধ করা হয়েছে। ফৈজ়াবাদেও মাংসের দোকান বন্ধ করা হয়েছে। মদ বিক্রি বন্ধ নিয়ে পদক্ষেপ করতে হবে জেলা প্রশাসনকে। অ্যাসিসট্যান্ট ফুড কমিশনার মানিকচন্দ্র সিংহ জানিয়েছেন, মন্দিরের ১৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে আমিষ, মদ ডেলিভারি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ এসেছে। অনলাইনের মাধ্যমে আমিষ, মদ পৌঁছে দেওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। হোটেল, দোকান এবং অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাগুলিকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে নজর রাখা হবে।