E-Paper

নির্বাচনের আগে মেরুকরণে তৎপর হলেন গিরিরাজ

গিরিরাজের পাশাপাশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভোপালের প্রাক্তন সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা সিংহ ঠাকুরও।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৩৫
বিহারের আরওয়ালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহ।

বিহারের আরওয়ালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহ। ফাইল চিত্র।

বিহার বিধানসভা ভোটের আগে পুরোদস্তুর মেরুকরণের রাজনীতির খেলায় নামল বিজেপি। এক দিকে বিহারের আরওয়ালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহ একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিশানা করলেন। অন্য দিকে ভোপালের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা সিংহ ঠাকুর দাবি করলেন, বাবা-মার উচিত অহিন্দুদের বাড়ি গেলে মেরে মেয়ের পা ভেঙে দেওয়া।

গত কাল বিহারের আরওয়াল জেলায় এক জনসভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বেগুসরাইয়ের সাংসদ গিরিরাজ বলেন, ‘‘আমি এক মৌলবির কাছে জানতে চেয়েছিলাম তাঁর আয়ুষ্মান ভারত কার্ড আছে কি না। তিনি জানান আছে। আমি জানতে চাই ওই কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলিম ভেদ করা হয় কি না। তিনি মেনে নেন ভেদাভেদ করা হয় না।’’ গিরিরাজ জানান, ‘‘তার পরে আমি জানতে চাই তিনি আমাকে ভোট দিয়েছেন কি না। প্রথমে তিনি বলেন আমাকেই ভোট দিয়েছেন। পরে ঈশ্বরের নামে শপথ করে বলতে বললে জানান তিনি আমাকে ভোট দেননি। মুসলিমেরা সব কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধে নেন। কিন্তু আমাদের ভোট দেন না। এমন মানুষকে নিমকহারাম বলে। আমি মৌলবি সাহেবকে বলে দিই নিমকহারামদের ভোট আমি চাই না।’’ বিজেপি নেতার দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা তিনি যে কখনও ওই মৌলবিকে অপমান করেননি সে কথাও মৌলবি মেনে নেন। আরজেডি-র মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় তিওয়ারির বক্তব্য, ‘‘সকলেই জানেন বিজেপি নেতারা হিন্দু-মুসলিম বিভেদ ছাড়া কথা বলতে পারেন না। ক্রমবর্ধমান বেকারি, মূল্যবৃদ্ধি, আরও ভাল শিক্ষা ও মেডিক্যাল সুবিধের কথা ওঁরা বলেন না।’’

গিরিরাজের পাশাপাশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভোপালের প্রাক্তন সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা সিংহ ঠাকুরও। ভোপালে এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘‘যদি আপনাদের মেয়েরা আপনাদের কথা না শুনে অহিন্দুদের বাড়ি যায় তবে তাদের পা ভেঙে দিতে হবে। যারা মূল্যবোধ মানে না, বাবা-মার কথা শোনে না তাদের শাস্তি পেতেই হবে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘মেয়েদের একাংশ বাবা-মার কথা শোনে না, বয়স্কদের সম্মান করে না। তারা বাড়ি থেকে পালাতে রাজি। এ সব ক্ষেত্রে আরও নজরদারি প্রয়োজন।’’ কংগ্রেস মুখপাত্র ভূপেন্দ্র গুপ্তের বক্তব্য, ‘‘মধ্যপ্রদেশে ধর্মান্তরণের মাত্র সাতটি মামলায় অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তার পরেও এতহইচই কেন?’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Bihar Giriraj Singh

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy