Advertisement
E-Paper

প্রতিবেশীদের সঙ্গে শত্রুতা নেই, মার্কিন হামলায় মদত না দিলে আর কোনও আক্রমণ নয়! ক্ষমা চাইল ইরান, বার্তা ট্রাম্পকেও

মার্কিন-ইজ়রায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর প্রাথমিক ভাবে একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করে তেহরান। তারাই হামলা থামানোর সিদ্ধান্ত নিল।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৫
(বাঁ দিকে) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। জানালেন, ইরানের উপর মার্কিন বা ইজ়রায়েলি হামলায় মদত না দিলে আর কোনও প্রতিবেশী দেশকে তাঁরা আক্রমণ করবেন না। উপসাগরীয় এলাকার দেশগুলির সঙ্গে ইরানের শত্রুতা নেই। তবে একই সঙ্গে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন পেজ়েশকিয়ান।

গত শনিবার মার্কিন-ইজ়রায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর প্রাথমিক ভাবে একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করেছিল তেহরান। প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের সেই কাউন্সিলের হাতেই আপাতত রয়েছে দেশ চালানোর ভার। পেজ়েশকিয়ান জানিয়েছেন, সেই অন্তর্বর্তী কাউন্সিল প্রতিবেশীদের আর আক্রমণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঠিক হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের কোনও দেশ থেকে ইরানের উপর হামলা না-হলে তাদের উপরেও আর হামলা চালাবে না তেহরান।

মার্কিন-ইজ়রায়েলি হামলার প্রত্যাঘাত করতে গিয়ে বিভিন্ন দেশের মার্কিন ঘাঁটি আক্রমণ করছিল তেহরান। অনেক দেশ এই আচরণের সমালোচনা করেছে। বলা হয়েছে, অযথা শান্তিপূর্ণ দেশগুলিকে যুদ্ধে টেনে আনছে ইরান। তবে তেহরানও সিদ্ধান্তে এত দিন অনড় ছিল। তাদের দাবি, এই পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল দায়ী। কারণ, যুদ্ধ তারা শুরু করেনি। অবশেষে তেহরান কিছুটা সুর নরম করল। পেজ়েশকিয়ানের দাবি, সামরিক বাহিনীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আর ইরান অযথা কোনও প্রতিবেশীর উপর হামলা চালাবে না।

শুক্রবারই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি ইরানের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চান। তার পরেই নেতা নির্বাচন করে সে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করবে আমেরিকা। ট্রাম্পের এই দাবির প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট পেজ়েশকিয়ানের জবাব, ‘‘এটা ট্রাম্পের একটা স্বপ্ন এবং এই স্বপ্ন নিয়েই তাঁকে সমাধিস্থ হতে হবে।’’ অর্থাৎ, প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বন্ধ করলেও আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে যে এখনই ইরান মাথা নত করছে না, তা একপ্রকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন পেজ়েশকিয়ান। খামেনেইয়ের পরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। উঠে এসেছে খামেনেইয়ের পুত্র মোজতবা খামেনেইয়ের নাম। তবে তেহরান এখনও সরকারি ভাবে কোনও ঘোষণা করেনি। শনিবার সকালেও বাহরিন, জর্ডন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। বেলার দিকে প্রেসিডেন্টের বার্তা প্রকাশ্যে এল।

US Israel Relation Iran vs US Israel War Israel Iran War Masoud Pezeshkian
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy