তাঁর সঙ্গে চার বছর লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। শুধু তা-ই নয়, বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন অন্য জনকে বিয়ে করছেন। উত্তরপ্রদেশের আগরায় এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আত্মঘাতী হলেন এক মহিলা।
পুলিশ সূত্রে খবর, আগরার তাজগঞ্জ থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ওই পুলিশকর্মী। মহিলার অভিযোগ, চার বছর ধরে তাঁর সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। তাঁর দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু পরে বেঁকে বসেন। তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। তাঁকে মানসিক এবং শারীরিক ভাবেও নির্যাতন করা হয়। মৃত্যুর আগে মহিলা একটি ভিডিয়ো করেন। সেখানে অভিযোগ তোলেন, পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে বলা হয়, কনস্টেবলের বিরুদ্ধে কিছু করা সম্ভব নয়। এই ঘটনা তাঁকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করে দিয়েছিল।
আরও পড়ুন:
মহিলার আরও অভিযোগ, কনস্টেবলের দাদা এই বিয়েতে সম্মতি দিয়েছেন। কিন্তু কনস্টেবল তাঁর কাছে দাবি করেন, বাড়ি থেকে এই সম্পর্ক কেউ মেনে নিতে চাইছে না। তাই বিয়ে করা সম্ভব নয়। আরও অভিযোগ, তাঁকে প্রতারণা করে অন্য একজন মহিলাকে বিয়ে করছেন কনস্টেবল। এর পরই ভিডিয়োবার্তায় কনস্টেবল এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। তাঁর মৃত্যুর জন্য কনস্টেবল এবং তাঁর পরিবার দায়ী বলেও দাবি করেন মহিলা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, মহিলা কাসগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি বিবাহবিচ্ছিন্না। আগরায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন মহিলা। তখন কনস্টেবলের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।