কেরলের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন কংগ্রেসের ভিডি সতীশন। সোমবার তিরুঅনন্তপুরমের সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে শপথ নেন সতীশন এবং তাঁর মন্ত্রিসভার ২০ জন সদস্য। শপথবাক্য পাঠ করান কেরলের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর।
কেরলের সতীশন সরকারের শপথগ্রহণে উপস্থিত ছিলেন কেরলের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, ওয়েনাড়ের কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা, কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে প্রমুখ। রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রেখে বিজয়নের পাশাপাশি কেরলের বিজেপি সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখরকেও শপথগ্রহণে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল কেরল সরকার। কেরল বিধানসভার নতুন বিরোধী দলনেতা বিজয়নের পাশাপাশি চন্দ্রশেখরও শপথগ্রহণে উপস্থিত ছিলেন।
কেরলে এক দশক পরে ক্ষমতায় ফিরেছে কংগ্রেস। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে কেরলের ১৪০টি আসনের মধ্যে ১০২টিতে জয়ী হয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউডিএফ। সিপিএম-এর নেতৃত্বাধীন বাম জোট এলডিএফ পেয়েছে মাত্র ৩৫টি আসন। ভোটগণনার ১০ দিন পরে গত বৃহস্পতিবার কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ছ’বারের বিধায়ক সতীশনের নাম ঘোষণা করে কংগ্রেস। সতীশন গত পাঁচ বছর ধরে কেরল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ছিলেন।
সতীশন ছাড়াও কেরলের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌ়ড়ে ছিলেন কংগ্রেস সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল এবং বর্ষীয়ান নেতা রমেশ চেন্নিতালা। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে সতীশনের নাম ঘোষণা করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা কেরলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দীপা দাশমুন্সি। হাত শিবিরের একটি সূত্র মারফত জানা যায় যে, কংগ্রেস পরিষদীয় দল মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেণুগোপালের নাম প্রস্তাব করেছে। কিন্তু বিধায়কদের একাংশ আবার সতীশনকে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবি জানান। এই অংশটির যুক্তি ছিল ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইউডিএফ এবং কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়ের পর দলকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়েছেন সতীশনই।