করোনাভাইরাস রুখতে মাস্ক ও স্যানিটাইজ়ারের চাহিদা তুঙ্গে। কালোবাজারি রুখতে মাস্ক ও স্যানিটাইজ়ারের দামের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্র। শুক্রবার কেন্দ্রীয় ক্রেতাসুরক্ষামন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান জানিয়েছেন, ২০০ এমএল হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ারের দাম ১০০ টাকার বেশি নেওয়া চলবে না। ত্রিস্তর মাস্কের মূল্য রাখা হয়েছে ১০ টাকা। দ্বিস্তর মাস্কের দাম ৮ টাকা। ৩০ জুন পর্যন্ত এই দাম প্রযোজ্য থাকবে। এ দিন কেন্দ্র জানিয়েছে, দস্তানা, স্যানিটাইজ়ার বা ওষুধপত্রেরও যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে।
করোনা পরিস্থিতিতে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, ১৩০ কোটির দেশে মাত্র ১৫,৭০১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রকে উপযুক্ত ভাবে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার, মাস্কের কালোবাজারি নিয়েও সরব হন সনিয়া। এই সামগ্রীগুলির জোগান বজায় রাখতে সরকারকে সক্রিয় হতে বলেছেন সনিয়া।
অপর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটরের পাশাপাশি আইসোলেশন চেম্বার ও শয্যা সংখ্যা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য নেই বলেও অভিযোগ করেছেন সনিয়া।
আরও পড়ুন: আজ জনতা কার্ফুর সাফল্য দেখেই পরের ধাপ
সার ও রসায়ন মন্ত্রী মনসুখলাল মাণ্ডব্য জানিয়েছেন, মাস্ক তৈরিতে ১১২টি ইউনিট কাজ করছে। দৈনিক দেড় কোটি মাস্ক উৎপাদন হচ্ছে। স্যানিটাইজ়ারের জোগানও পর্যাপ্ত বলে আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। সঙ্গে জানান, ১২ হাজার ওষুধের কারখানা খোলা রয়েছে। ওষুধের অভাব নেই। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দু’কোটি ট্যাবলেটও বাজারে রয়েছে। চিন এবং অন্য দেশ থেকে ওষুধের কাঁচামাল সরবরাহও শুরু হয়েছে।