Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ নভেম্বর ২০২১ ই-পেপার

উচ্চবর্ণের যুবতীর সঙ্গে প্রেম! উত্তরপ্রদেশে দলিত যুবককে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ

সংবাদ সংস্থা
লখনউ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৬:০৮
উচ্চবর্ণে প্রেমের মাসুল, উত্তরপ্রদেশে অগ্নিদগ্ধ যুবক। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

উচ্চবর্ণে প্রেমের মাসুল, উত্তরপ্রদেশে অগ্নিদগ্ধ যুবক। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

আরও এক দলিত যুবককে গায়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার ঘটনা সামনে এল। এ বার ঘটনাস্থল উত্তরপ্রদেশের হরদোই জেলা। অভিযোগ, ২২ বছর বয়েসি যুবক মনু কুমারকে এক উচ্চবর্ণের তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত থাকার ‘অপরাধে’ রবিবার পুড়িয়ে মেরেছে ওই তরুণীর পরিবার। শুধু মনুই নয়, এই ঘটনার আকস্মিকতায় মৃত্যু হয়েছে মনু কুমারের মা রামবেতি দেবীরও।

পুলিশ সূত্রে খবর, মনুর মা লখনউয়ের একটি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ছিলেন গত শুক্রবার থেকেই। রবিবার বিকেলে তাঁকে দেখেই ফিরছিলেন ওই দলিত যুবক। গ্রামে ঢোকার মুখেই তাঁকে ঘিরে ফেলে তরুণীর পরিবার। তাঁর পকেটে সেই সময়ে মায়ের চিকিৎসা বাবদ ২৫ হাজার টাকা ছিল। সেই টাকা ছিনিয়ে নিয়ে শুরু হয় বেদম মার। ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী নাথুলাল পুলিশকে জানিয়েছেন, ‘‘মনুকে প্রথমে বেধড়ক মারা হয়, তারপরে গুপ্ত পরিবারের মাথা রাধে গুপ্ত তাঁকে টানতে টানতে বাড়ির ভিতরে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর গায়ে পেট্রোল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকেরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক।’’ ঘটনার খবর পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় মনুর মায়েরও।

এই দলিত যুবকের কাকা রাজু কুমারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রাধে গুপ্ত, ডলি গুপ্ত, সত্যম সিংহ, শিখর সিংহ নামে চারজনকে আটক করেছে। গুপ্ত পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, বছর খানেক আগে মনুর সঙ্গে এই পরিবারের মেয়ে একবার পালিয়ে গিয়েছিল। মেয়েটির পারিবারিক হস্তক্ষেপেই তাঁরা বাড়ি ফিরে আসে। মনুর পরিবার থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, এই তরুণীর সঙ্গে মনু ভবিষ্যতে কখনও দেখা করবে না। কিন্তু মনু সেই কথা রাখেনি বলেই গুপ্ত পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:৭০ বছর বিচ্ছিন্নতাবাদের সঙ্গে লড়াইয়ের পর কাশ্মীরে নবযুগের সূচনা হয়েছে, জন্মদিনে বললেন মোদী
আরও পড়ুন:কাশ্মীর যদি স্বাভাবিক, কেন আটকে রাখা হয়েছে ফারুককে, তোপ কপিল সিব্বলের

কংগ্রেসের তরফে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয় এদিন। রণদীপ সুরজওয়ালা টুইটরে লেখেন, ‘বিজেপির রাজত্বে উত্তরপ্রদেশে কেউ সুরক্ষিত নয়। মহিলা, দলিত সমাজের মানুষ, সবাই আক্রান্ত।’ সুরজওয়ালার দাবি, অভিযুক্ত পরিবারটি ক্ষমতাশালী তাই প্রশাসন গোটা ঘটনা জেনেও নীরব।

আরও পড়ুন

Advertisement