সাশ্রয়ী মূল্যে যাতে প্রয়োজনীয় ওযুধ পাওয়া যায় সেই ব্যবস্থা করছে কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি নজর দেওয়া হয়েছে ওযুধ শিল্পের প্রসারের দিকেও। রাজ্যসভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা। তাঁর দাবি, ওষুধ শিল্পের বৃদ্ধি ও দাম নির্ধারণ নীতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘শক্তিশালী’ ও ‘স্থায়ী’ নীতি বলে দাবি করেন মন্ত্রী। পাশপাশি তাঁর পরামর্শ সুস্থ থাকতে নুন কম খাওয়ার।
তিনি জানান, ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওষুধ সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার দিকে সরকার জোর দিয়েছে। ওষুধ শিল্পের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগ আহয় বলেও দাবি মন্ত্রীর। তাঁর দাবি, এই সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করার জন্য ও স্বচ্ছ কার্যকলাপ যাতে হয় তা দেখার জন্য নির্দিষ্ট দফতর রয়েছে। ওই সংস্থাই ওযুধের কার্যকরিতা, প্রভাব সব দিক খতিয়ে দেখে নীতিতে সংস্কার আনে। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়মিত পরামর্শ দেওয়ার সঙ্গে সংস্থার প্রতিনিধিরা আলোচনাও করে থাকেন বলে জানান মন্ত্রী।
নড্ডা জানান, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন কেন্দ্রগুলিতে রোদ নির্ণয় করার পরিষেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে ওযুধও বিতরণ করা হয়। ‘জন জন ওষুধ কেন্দ্রের’ মাধ্যমে জেনেরিক ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। দাবি, গত দশ বছরে জনগনের ওযুধের জন্য খরচ ৬২.৬ শতাংশ থেকে কমে ৩৯.৪ শতাংশ হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিন তিনি আরও জানান, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ গবেষণা করে জানিয়েছে অতিরিক্ত নুন খাওয়ার ফলেই উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ বাড়ছে। এই বিষয়ে সচেতন করার জন্য ও স্বাস্থ্যকর খাবার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য ‘ইট রাইট ইন্ডিয়া’ বাস্তবায়িত করছে খাদ্য নিযামক সংস্থা ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া’। স্বাস্থ্যকর্মীদের ‘ইট রাইট টুলকিট’ তৈরি ও তা প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যম ও সমাজ মাধ্যমে নাগর্কদের নিয়মিত সচেতন করা হয় বলেও দাবি মন্ত্রীর। তিনি জানান, ‘আজ থেকে একটু কম’ প্রচার চালিয়ে নুন, চিনি, চর্বি কম খেতে বলা হচ্ছে।