সিঁদুর অভিযানে ভারতের সাফল্য তুলে ধরা হবে বায়ুসেনার মহড়ায়। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের পোখরানে আয়োজিত হবে ‘এক্সারসাইজ় বায়ুশক্তি’। ওই মহড়ায় থাকবে বায়ুসেনার রাফাল, সুখোই-৩০, মিগ-২৯, তেজসের মতো যুদ্ধবিমান।
গত বছরের সিঁদুর অভিযানের সময়ে ভারতীয় বায়ুসেনার ভূমিকা ছিল অনবদ্য। চার দিনের ওই সংঘর্ষের শেষ দিক আকাশের দখল চলে এসেছিল ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে। সেই চাপেই পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির প্রস্তাব দেয়। সম্প্রতি সুইজ়ারল্যান্ডের এক সামরিক গবেষণা সংস্থা এমনটাই দাবি করেছে। এ বার ভারতীয় বায়ুসেনাও মহড়ায় দেখাবে কী ভাবে অপারেশন সিঁদুরের সময়ে ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলি সাফল্য পেয়েছিল।
বস্তুত, এ বছরের সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে কুচকাওয়াজের সময়েও ‘সিঁদুর’ পর্বের ছোঁয়া ছিল। সিঁদুর অভিযানে যে ভাবে যুদ্ধবিমানগুলিকে ব্যবহার করা হয়েছিল, যে ভাবে সেগুলি রণসজ্জায় সেজেছিল, ঠিক সে ভাবেই সাধারণতন্ত্র দিবসেও সাজানো হয় রাফাল, মিগ-সহ মোট সাতটি যুদ্ধবিমান। কর্তব্যপথে কুচকাওয়াজের সময়ে আকাশ দিয়ে ফ্লাই পাস্ট করে দু’টি রাফাল, দু’টি মিগ-২৯, দু’টি সুখোই-৩০ এবং একটি জাগুয়ার যুদ্ধবিমান।
আরও পড়ুন:
গত বছরের এপ্রিলে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হত্যালীলা চালায় জঙ্গিরা। ওই জঙ্গিহানার পরে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চিহ্নিত কিছু জঙ্গিঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ভারত। গত বছরের ৭ মে ভোরে দুই পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ এবং লশকর-এ-ত্যায়বার বেশ কিছু ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ভারতীয় বায়ুসেনা। বাহওয়ালপুর এবং মুরিদকেতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অব্যর্থ আঘাত হানে ভারত। চার দিন ধরে সামরিক সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয় পাকিস্তান।