Advertisement
E-Paper

কথা বলবে না, চিঠিতে পিটারকে ধমক ইন্দ্রাণীর

লম্বা চিঠিটিতে ইন্দ্রাণী পিটারের আগের পক্ষের ছেলে রাহুল মুখোপাধ্যায় ও গাড়িচালক শ্যামবর রাইকেও তীব্র দুষেছেন।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০১৭ ০৪:০৩
পিটার ও ইন্দ্রাণী। ছবি: সংগৃহীত।

পিটার ও ইন্দ্রাণী। ছবি: সংগৃহীত।

একসঙ্গে থাকেন না। কারণ, খুনের দায়ে স্বামী-স্ত্রী আলাদা জেলে বন্দি। এক কালের তারকা-দম্পতির সম্পর্ক এখন বিচ্ছেদের চৌকাঠে। তার পরও প্রবল দাম্পত্য ঠোকাঠুকি চলছে ইন্দ্রাণী ও পিটার মুখোপাধ্যায়ের মধ্যে। সম্প্রতি পিটারকে নিজে হাতে লেখা একটি চার পাতার চিঠিতে সেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়।

মেয়ে শিনা বরাকে খুনের দায়ে আপাতত মুম্বইয়ের বাইকুল্লার মহিলা জেলে বন্দি ইন্দ্রাণী। সেই ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে পিটারের বিরুদ্ধেও। তিনি রয়েছেন আর্থার রোড জেলে। পিটারকে লেখা চিঠিতে ইন্দ্রাণী সোজাসুজি বলেছেন, ‘‘আমার সঙ্গে একদম কথা বলবে না। লোকজনের সামনে তুমি আমাকে এড়িয়ে চলো। তার পর, যখন কেউ থাকে না তখন খাবারের ভাগ দিতে আসো। এতে আমার মনে আঘাত লাগে।’’

ইন্দ্রাণী চিঠিতে লিখেছেন, ‘‘এমনিতে একা দেখলেই আমার সঙ্গে কথা ফুরোয় না তোমার। ওদিকে চেনা কেউ বা সাংবাদিকেরা এলেই মুখ ঘুরিয়ে থাকো। যেন আমার সঙ্গে মুখ দেখাদেখি বন্ধ! তোমার বোন বা পরিবারের অন্য কেউ তোমাকে খাবার দিয়ে চলে যান। তাঁরা চলে গেলেই আবার আমার কাছে চলে আসো তুমি।’’ ইন্দ্রাণীর হুঁশিয়ারি, ‘‘পুলিশ ভ্যানে আমার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টাও করবে না। বাড়ির লোক ফিরে গেলে খাবার দিতে আসার ন্যাকামিরও দরকার নেই।’’

Advertisement

লম্বা চিঠিটিতে ইন্দ্রাণী পিটারের আগের পক্ষের ছেলে রাহুল মুখোপাধ্যায় ও গাড়িচালক শ্যামবর রাইকেও তীব্র দুষেছেন। শিনা হত্যা মামলায় এঁরা দু’জন ইন্দ্রাণীর বিপক্ষে মুখ খুলেছেন। ইন্দ্রাণী বলেছেন, ‘‘এদের মিথ্যে সাক্ষ্যের কারণেই এত বড় ঝামেলায় আমি। শ্যামটা তো বরাবরই আস্তাকুঁড়ের ময়লা।
টাকা পেলে ও তো আমাকে বা সঞ্জীবকে (ইন্দ্রাণীর আগের স্বামী সঞ্জীব খন্না) ফাঁসাবেই। আমি অবাক রাহুলের ব্যবহারে। ও এত দূর বিবেকহীন! হয়তো এই অপরাধের মূল পাণ্ডা ও-ই।’’

ইন্দ্রাণীর বক্তব্য, ‘‘তুমি রাহুলের বাবা। জন্মদাতা পিতাকে বাঁচাতেও সত্যিটা এগিয়ে এসে বলতে পারার সাহস নেই এই ছেলের!’’

পিটারকে জীবন থেকেই দূর করে দিতে চান ইন্দ্রাণী। ডিভোর্স-এর ভাবনা মাথায় ঘুরছে তাঁর। লিখেছেন, ‘‘যত দিনই লাগুক, সুবিচারের জন্য সংগ্রাম করবই। কেউ কোনও আবেগ দিয়ে আর আমাকে বশ করতে
পারবে না। তোমার মুখ দেখলেই মন তেতো হয়ে যায় আমার। তুমি একদম তফাতে থাকবে।’’

পিটারকে ইন্দ্রাণীর অনুরোধ, তাঁর খোরপোশের ব্যাপারটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেন মিটিয়ে দেওয়া হয়। আর মেয়ে বিধি-র বিষয়ে জরুরি কথা ছাড়া পিটার যেন
একদম তাঁর সঙ্গে খেজুরে আলাপ না করতে আসেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy