লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব অভিযোগ তুলে দায়ের করা একটি আবেদন বুধবার খারিজ করে দিল লখনউয়ের বিশেষ সাংসদ-বিধায়ক আদালত (এমপি-এমএলএ কোর্ট)। বিচারক অলোক বর্মা তাঁর রায় ঘোষণা করতে গিয়ে বলেছেন, ‘‘নাগরিকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এই আদালতের নেই।’’
এই মামলার অভিযোগকারী এস বিঘ্নেশ শিশির কর্নাটকের একজন বিজেপি কর্মী। তিনি রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করার এবং এই বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিস্তারিত তদন্তের জন্য আবেদন করেছিলেন। অভিযোগকারী বিএনএস (ভারতীয় ন্যায় সংহিতা), অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ফরেনার্স অ্যাক্ট এবং পাসপোর্ট আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে রাহুলের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। গত ১৪ জানুয়ারি শুনানি শেষের পর রায় সংরক্ষিত রেখেছিলেন বিচারক বর্মা।
আরও পড়ুন:
অভিযোগটি প্রথমে রায়বরেলীর বিশেষ সাংসদ-বিধায়ক আদালতে দায়ের করা হয়েছিল। তবে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ অভিযোগকারীর আবেদনের ভিত্তিতে ফৌজদারি অভিযোগ মামলাটি রায়বরেলী থেকে লখনউতে স্থানান্তরিত করেছিল। এর আগে গত ২৫ মে রাহুলের দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ তুলে দায়ের হওয়া একটি মামলা খারিজ করে দিয়েছিল ইলাহাবাদ হাই কোর্ট। রাহুলের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব নিয়ে প্রথম অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। ২০১৯ সাল থেকে রাহুলের এই নাগরিকত্ব বিতর্ক চলে আসছে। ওই সময়ে সুব্রহ্মণ্যম কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে অভিযোগ জানান রাহুলের বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, ব্রিটেনের প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া কিছু নথিপত্রে রাহুল নিজেকে ব্রিটিশ নাগরিক বলে জানিয়েছেন। পরে এই নিয়ে ইলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন বিঘ্নেশ।