জাতীয় সড়ক প্রশস্ত করার জন্য কাজ চলছিল। বিপদের আশঙ্কা করে ২২টি পরিবারকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করেছিল পঞ্চায়েত। কিন্তু তার পরেও অঘটন আটকানো গেল না। ওই এলাকায় কাদা-ধসে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। আহত তাঁর স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে কেরলের আদিমালির মান্নামকান্দাম এলাকায়।
জানা গিয়েছে, মান্নামকান্দাম জাতীয় সড়ক চওড়া করার কাজ চলছে। ওই এলাকার হাউজিং কলোনির বাসিন্দাদের সেই কারণে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পঞ্চায়েত। পাহাড়ি এলাকায় ওই হাউজিং কলোনি হওয়ায় বিপদে আশঙ্কা ছিল। তাই শনিবার সন্ধ্যায় বাসিন্দাদের ত্রাণশিবিরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু লক্ষ্মবেদু উন্নাথি বিজু এবং তাঁর স্ত্রী রাতে রান্নার জন্য আবার বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। সেই সময়ই দুর্ঘটনা ঘটে।
আদামালি ব্লক পঞ্চায়েতের সদস্য কৃষ্ণমূর্তি জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ পাহাড়ের উপর থেকে কাদা-ধস নামে। তখন বাড়ির মধ্যেই ছিলেন বিজু এবং তাঁর স্ত্রী। ধসে ওই কলোনির আটটি বাড়ি কাদায় চাপা পড়ে যায়। নিজেদের ঘরেই আটকে পড়েন বিজুরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল। কৃষ্ণমূর্তির কথায়, ‘‘ধ্বংসাবশেষের নীচে আটকে পড়েছিলেন ওই দম্পতি। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরে তাঁদের ওই কাদার স্তূপ থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। দু’জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে বিজুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর স্ত্রী চিকিৎসাধীন।’’
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়ম না-মেনেই রাস্তা চওড়া করার কাজ হচ্ছিল। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটল। সুলফি নামে এক স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, ‘‘কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। সেই ভাবেই কাদা সরানোর কাজ করা হচ্ছে। আমরা পাহাড়ের ঢালে বড় বড় ফাটল দেখেছিলাম। পঞ্চায়েতকে জানিয়েও ছিলাম। কিন্তু কেউ কর্ণপাত করেননি।’’