E-Paper

অসমের নেতাদের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক প্রিয়ঙ্কার

দলীয় বৈঠকের পর রিপুন বরা বলেন, প্রিয়ঙ্কা অসম সফরে গিয়ে ব্লক সভাপতি থেকে শুরু করে জেলা সভাপতি ও প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির পদাধিকারীদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৪০
প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা।

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। — ফাইল চিত্র।

অসম সফর সেরে গত কালই ফিরেছেন দিল্লিতে। আজ ১০ নম্বর জনপথে ফের অসম কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে কৌশল বৈঠকে বসলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। কংগ্রেসের স্ক্রিনিং কমিটির চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান রিপুন বরা, ইস্তাহার কমিটির চেয়ারম্যান প্রদ্যুত বরদলই, সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান তথা বিরোধী দলনেতা দেবব্রত শইকিয়া এবং প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান রকিবুল হুসেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে পৃথক ভাবে বৈঠক করেন।

দলীয় বৈঠকের পর রিপুন বরা বলেন, প্রিয়ঙ্কা অসম সফরে গিয়ে ব্লক সভাপতি থেকে শুরু করে জেলা সভাপতি ও প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির পদাধিকারীদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। যে ঘটনা নজিরবিহীন। নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত চারটি কমিটির চেয়ারম্যানকে দিল্লিতে ডেকে একান্ত বৈঠকে সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় এবং নেতাদের কাছ থেকে প্রিয়ঙ্কা স্বতন্ত্র মতামত ও পরামর্শ জেনে নেন।

ভূপেন বরার দলত্যাগ প্রসঙ্গটি প্রিয়ঙ্কা সাংবাদিকদের সামনে লঘু করে দেখালেও দলীয় সূত্রে খবর, এ নিয়ে গৌরবের কাছে জবাব চান তিনি। জানতে চান, কেন সময় মতো দলের বরিষ্ঠ নেতাদের অভিযোগ সম্পর্কে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। রিপুন অবশ্য দলত্যাগ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলেন, সব দলেই এমন ঘটনা ঘটে, বিজেপিতেও অনেকে দল ছাড়েন। এতে কংগ্রেসের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না।এ দিকে আজ গুয়াহাটির রাজীব ভবনের সামনে প্রতিবাদ জানাতে জড়ো হয় ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা। তখন দুই পক্ষে ধস্তাধস্তি হয়। প্রতিবাদকারীরা কংগ্রেস কর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং দলীয় ব্যানার ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রতিবাদের নামে চলা ওই অগণতান্ত্রিক হামলা ঠেকাতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

উল্টে পুলিশ কংগ্রেসকর্মীদেরই মারে। জখম কংগ্রেস নেতা রাতুল কলিতা শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাঙাগড় থানায় পৃথক দুটি এফআইআর দায়ের করেছেন। এপিসিসির সাধারণ সম্পাদক বিপুল গগৈ বিবৃতিতে বলেন, প্রতিবাদের নামে এই ধরনের গুন্ডামি গণতন্ত্রের পরিপন্থী। অসম পুলিশও শাসক দলের রক্ষী বাহিনীর মতো আচরণ করেছে। শৃঙ্খলা রক্ষার অজুহাতে রাজীব ভবনে কংগ্রেস কর্মীদের উপর মারধর করেছে পুলিশ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Congress Assam

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy