Advertisement
E-Paper

পথদুর্ঘটনাগ্রস্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অগ্নিসংযোগ রোধে বাস তৈরির নতুন নিয়ম, একাধিক ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী গডকড়ীর

উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ থেকে পথদুর্ঘটনায় আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়েছিল চণ্ডীগড়ে। পরে আরও ছয়টি রাজ্যে এই পরিষেবা চালু হয়। এ বার দেশ জুড়ে পাওয়া যাবে এই প্রকল্পের সুবিধা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:২২
কেন্দ্রীয় পরিবহনমন্ত্রী নিতীন গডকড়ী।

কেন্দ্রীয় পরিবহনমন্ত্রী নিতীন গডকড়ী। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পথদুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা করা হবে বিনামূল্যে। প্রধামমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশ জুড়ে এই প্রকল্প আনছেন। বৃহস্পতিবার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পরিবহণমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরে এমনটাই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী নিতীন গডকড়ী। এ দিনের বার্ষিক বৈঠকে আলোচনার বিষয় ছিল পথ নিরাপত্তা, সুরক্ষা, যান নিয়ন্ত্রণ ও আয়বৃদ্ধি। বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হয়ে একাধিক ঘোষণা করেন গডকড়ী।

উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ থেকে পথদুর্ঘটনায় আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়েছিল চণ্ডীগড়ে। পরে আরও ছয়টি রাজ্যে এই পরিষেবা চালু হয়। এ বার দেশ জুড়ে পাওয়া যাবে এই প্রকল্পের সুবিধা। নিয়ম অনুযায়ী, মোটর চালিত যানে দুর্ঘটনা হলে ওই দিন থেকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত বিনামূল্যে দেড় লক্ষ টাকার চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে।

দুর্ঘটনারোধে যানবাহনে ‘ভি টু ভি’ প্রযুক্তি চালু করার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই টেলিকম দফতর ও পরিবহণ দফতরের প্রতিনিধিদের নিয়ে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। শুরু হয়েছে প্রাথমিক কাজ-ও। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে চালক গতি, অবস্থান, অন্য যানবাহনের উপস্থিতি ও সম্পর্কিত অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন ও প্রযোজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন। কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওয়ারল্যাস প্রযুক্তির মাধ্যমে এক যানের চালকেরা অন্য যানের চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তিনি আরও জানান, আগামী বাজেটে মোটরচালিত যানবাহন আইনে সংশোধনী আনা হবে। ৬১টি সংশোধনী নিরাপত্তা, নাগরিক পরিষেবা, আয়বৃদ্ধির সহায়ক হবে।

স্লিপার কোচ বাস তৈরির অনুমোদনের ক্ষেত্রেও নয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বার থেকে এই ধরনের বাস তৈরি করতে পারবে কেন্দ্র সরকারের নিয়ম মেনে তৈরি করবে অটোমোবাইল সংস্থা। গডকড়ী জানিয়েছেন, বাসে অগ্নিসংযোগ রোধ করতেই এই ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে যে সব স্লিপার কোচ বাস আছে সেগুলিতে অগ্নি সনাক্তকরণ ও নির্বাপক ব্যবস্থা, জানালার কাচ ভাঙার জন্য হাতুড়ি, আপদকালীন প্রস্থানপথ, আপদকালীন আলো ও চালকের ঘুম নির্ণয়কারী ব্যবস্থা রাখতে হবে।

দুর্ঘটনারোধে পদক্ষেপ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, রাজস্থানের সরকারকে তিনি চিঠি লিখে জানিয়েছেন, যাঁরা ‘ম্যানুয়াল’ ভাবে বাসের কাঠামো তৈরি করেন তাঁদের মধ্যে অনেকে নিরাপত্তাজনিত বিধি মানা হচ্ছে বলে নিজেরাই স্বাক্ষর করে জানিয়েছিলেন। তাঁদের যে সমস্ত পরিবহণ কর্তারা অনুমোদন দিয়েছিলেন ওই সমস্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

পথআইন লঙ্ঘন হলে তা চিহ্ণিত করা, যানবাহনের জন্য ডিজিট্যাল ও স্বয়ংক্রিয় ছাড়পত্রের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছিল বৃহস্পতিবার। আলোচনায় উঠে আসে কম সংখ্যক প্রশিক্ষিত কর্মী থাকার সমস্যার দিকটিও।

Accident Safety Transport Department Nitin Gadkari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy