Advertisement
E-Paper

‘বন্ধু’ ট্রাম্পের কাছে মোদীর দূত জয়শঙ্কর

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হওয়ার ফলে ভারতের মার্কিন নীতির কোনও নাটকীয় বদল ঘটবে না বলেই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে ট্রাম্প জমানায় আমেরিকার মনোভাব কেমন হতে পারে তা বুঝতে বিদেশসচিব এস জয়শঙ্করকে সে দেশে পাঠিয়েছেন তিনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৩:১০

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হওয়ার ফলে ভারতের মার্কিন নীতির কোনও নাটকীয় বদল ঘটবে না বলেই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে ট্রাম্প জমানায় আমেরিকার মনোভাব কেমন হতে পারে তা বুঝতে বিদেশসচিব এস জয়শঙ্করকে সে দেশে পাঠিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি বিভিন্ন দলের নেতাদের এক ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানান লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। দলীয় সূত্রের খবর, নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে বলে ওই ভোজসভায় মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। কী ভাবে এই ‘সুসম্পর্ক’ তৈরি হল তা নিয়ে অবশ্য বিশদে মুখ খোলেননি তিনি। তবে তিনি জানিয়েছেন, বারাক ওবামার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত রসায়ন অত্যন্ত ভাল ছিল। কিন্তু সার্বিক ভাবে রিপাবলিকানরা ভারতের প্রতি অনেক বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

জানুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসের দখল পাচ্ছেন ট্রাম্প। তারপর আর দেরি না করে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ শুরু করে দিতে চাইছে নয়াদিল্লি। এ বিষয়ে তদ্বির করতে সম্প্রতি বিদেশসচিব এস জয়শঙ্করকে পাঠানো হয়েছিল ওয়াশিংটনে। পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ এমন পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে যে ঘরে বাইরে বিপাকে পড়তে হচ্ছে বর্তমান সরকারকে। দিল্লির মতে, নওয়াজ শরিফ সরকারের কর্তৃত্ব ক্রমশই কমছে। বাড়ছে আইএসআই তথা পাক সেনা এবং কট্টর মোল্লাতন্ত্রের উগ্র ভারত-বিরোধিতা। পাকিস্তান-চিন অক্ষও ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনকে পুরোপুরি পাশে পেতে দ্রুত তৎপর হতে চাইছে দিল্লি। ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসনের মনোভাব জানতে চাইছে দিল্লি। কারণ, অভিবাসীদের সম্পর্কে ট্রাম্পের বিভিন্ন মন্তব্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাউথ ব্লকে। সে দেশে ভারতীয় পেশাদারদের ভবিষ্যৎ কী, ভারত থেকে মার্কিন সংস্থাগুলিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হবে কি না-এই বিষয়গুলি স্পষ্ট করতে চায় মোদী সরকার।

Advertisement

৬ বছর ধরে চেষ্টার পরে শেষে জাপানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি করতে পেরেছে দিল্লি। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, জয়শঙ্করের চলতি কূটনৈতিক দৌত্যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেয়েছে। তার কারণ, এর সঙ্গে সরাসরি মার্কিন স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। জিই-হিতাচি, তোশিবা-ওয়াশিংটন হাউসের মতো মার্কিন-জাপ সংস্থাগুলিকে পরমাণু চুল্লি গড়ার জন্য ইতিমধ্যেই জমি দিয়ে রেখেছে ভারত। আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু চুক্তিও হয়ে রয়েছে। কিন্তু জাপানের সঙ্গে চুক্তি না হলে চুল্লির অনেক যন্ত্রাংশ জাপান থেকে আমদানি করা সম্ভব হচ্ছিল না। শুরু করা যাচ্ছিল না চুল্লির কাজ। এ বার দ্রুত তা শুরু করা যাবে বলে আশা কেন্দ্রের।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy