Advertisement
E-Paper

‘স্যর, বৌকে গলা টিপে মেরে ফেলেছি, কম্বল জড়িয়ে রেখে এসেছি!’ স্ত্রীকে খুনের পর কাঁদতে কাঁদতে থানায় হাজির যুবক

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম সচিন। স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পুলিশকে সচিন জানিয়েছেন, স্ত্রীকে খুনের পর পালিয়ে যাবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু পালাতে পারেননি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১২
(বাঁ দিকে) মৃত মহিলা শ্বেতা। (ডান দিকে) অভিযুক্ত স্বামী সচিন। ছবি: সংগৃহীত।

(বাঁ দিকে) মৃত মহিলা শ্বেতা। (ডান দিকে) অভিযুক্ত স্বামী সচিন। ছবি: সংগৃহীত।

স্ত্রীকে খুনের পর কাঁদতে কাঁদতে থানায় হাজির হলেন যুবক। কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকের কাছে গিয়ে বললেন, ‘‘স্যর, বৌকে গলা টিপে মেরে ফেলেছি। বাড়িতে দেহ পড়ে। কম্বল জড়িয়ে রেখে এসেছি।’’ যুবকের মুখে এ কথা শুনে হতচকিত হয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ আধিকারিক। যুবকের কাছে গোটা ঘটনাটি জানতে চান তিনি। সব শোনার পর যুবকের বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখান থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে।

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম সচিন। স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পুলিশকে সচিন জানিয়েছেন, স্ত্রীকে খুনের পর পালিয়ে যাবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু পালাতে পারেননি। চার ঘণ্টা ধরে শহরের নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান। অবশেষে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন। সচিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর স্ত্রী শ্বেতার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

সচিন এবং শ্বেতা কর্মসূত্রে কানপুরে থাকতেন। তাঁরা ফতেহপুরের মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন তাঁরা। তার পর গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে আসেন। তার পর তাঁরা গুজরাতের সুরাতে চলে যান। সেখানে একটি কারখানায় কাজ শুরু করেন সচিন। এক মাস পর সেখান থেকে কানপুরে চলে আসেন। সেখানে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন। সচিন অটো চালানো শুরু করেন। কিন্তু সন্দেহের কারণে পারস্পরিক সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। স্ত্রীকে সন্দেহ করা শুরু করেন সচিন। তাঁদের বাড়ির কাছেই কিছু কলেজ ছাত্র একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিলেন শ্বেতা। আর সেটাই সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কাজে যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে গিয়েও আবার ফিরে আসেন সচিন। তখন দুই পড়ুয়াকে শ্বেতার সঙ্গে গল্প করতে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্থানীয়েরা পুলিশ ডাকেন। দম্পতি এবং দুই পড়ুয়াকে থানায় নিয়ে গিয়ে বুঝিয়ে আবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বাড়ি ফিরে শ্বেতার সঙ্গে আবার বচসা শুরু হয় সচিনের। তখনই রাগের বশে শ্বেতাকে শ্বাসরোধ করে সচিন খুন করেন বলে অভিযোগ।

Crime
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy