বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছুড়ে আর রক্ষা পাওয়া যাবে না বলে আজ লোকসভায় সতর্ক করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বন্দে ভারত দৌড় শুরু করার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই ট্রেনের উপরে পাথর ছোড়ার বিভিন্ন ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগরের একটি ঘটনায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে আজ লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে দাবি করলেন রেলমন্ত্রী। তিনি জানান, বন্দে ভারত লক্ষ্য করে ওই ব্যক্তি যখন পাথর ছোড়ে, তখন তার ছোট্ট একটি ছবি ওই ট্রেনেই বসানো উন্নত মানের ক্যামেরায় ধরা পড়ে যায়। পরে ওই ছবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফেশিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে একেবারে সেই অভিযুক্তের বাড়িতে পৌঁছে যায় প্রশাসন। ট্রেনটির সুরক্ষা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, বন্দে ভারত প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ছুটতে সক্ষম। তাই বন্দে ভারতের রুটে ও বন্দে ভারত ট্রেনগুলিতে ‘কবচ’ প্রযুক্তি বসানোর কাজ চলছে, যা মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে সক্ষম। রেলমন্ত্রীর দাবি, বন্দে ভারতের কামরায় ‘অ্যান্টি ক্লাইম্বিং’ প্রযুক্তি রয়েছে। এই প্রযুক্তি থাকার ফলে দুর্ঘটনার সময়ে ট্রেনের কামরা বেলাইন হলেও একটি কামরা আর একটির উপরে উঠে যায় না। ফলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সম্ভাবনা কম হয়।
দুর্ঘটনা রুখতে ‘কবচ ৪.০’ প্রযুক্তি অতি ব্যস্ত দিল্লি-মুম্বই ও দিল্লি-হাওড়া রুটের ১৪৫২ কিলোমিটার লাইনে বসানো হয়েছে বলেও আজ দাবি করেছে রেল। আজ তৃণমূল সাংসদ দেবের করা প্রশ্নের লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, দিল্লি-হাওড়া রুটের গয়া-ঝাড়খণ্ডের সারমাটাঁড় অংশে ৯৩ কিলোমিটার ও ঝাড়খণ্ডের ছোটা অম্বানা থেকে বর্ধমান হয়ে হাওড়া পর্যন্ত ২৬০ কিলোমিটার লাইনে ওই প্রযুক্তি বসানো হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)