Advertisement
E-Paper

‘গিয়ে দেখি বাথরুমে মাটি ফেলে একাই ভরাট করছেন মহিলা’! আগরায় মেঝে খুঁড়ে দেহ উদ্ধারে নয়া তথ্য, কী বললেন রাজমিস্ত্রি?

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সুরেন্দ্র ক্ষীর খেতে ভালবাসতেন। ক্ষীরের সঙ্গে ১৫-১৬টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলেন স্ত্রী রুবি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ১৩:৪২
(বাঁ দিকে) সুরেন্দ্র কুমার শর্মা। (ডান দিকে) এই বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে উদ্ধার হয় দেহ। ছবি: সংগৃহীত।

(বাঁ দিকে) সুরেন্দ্র কুমার শর্মা। (ডান দিকে) এই বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে উদ্ধার হয় দেহ। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরপ্রদেশের আগরায় বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নয়া তথ্য। রাজমিস্ত্রি দাবি করেছেন, বাথরুম মেরামত করার জন্য তাঁকে ডেকেছিলেন সুরেন্দ্রকুমার শর্মার স্ত্রী রুবি। পাশের একটি বাড়িতে বেশ কিছু দিন আগে কাজ করে গিয়েছিলেন। সেই সূত্রে তাঁকে ডেকে এনেছিলেন রুবি। এমনই দাবি করেছেন মিস্ত্রি রবি কুমার।

তাঁর দাবি, দুপুরের দিকে সুরেন্দ্রের বাড়িতে যান। কোন জায়গায় মেরামত করতে হবে তা দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন, সুরেন্দ্রের স্ত্রী বাথরুমে মাটি ঢেলে ভরাট করছেন। রাজমিস্ত্রির কথায়, ‘‘আমি তখন ওই মহিলাকে বলি, আপনি কেন মাটি ভরাট করছেন, এক জন মিস্ত্রি দিয়ে দিচ্ছি। সে সব ঠিক করে দেবে।’’ কিন্তু এই প্রস্তাবে রাজি হননি রুবি। রাজমিস্ত্রির দাবি, ওই মহিলা তাঁকে জানান, এ কাজ তিনি একাই করে নিতে পারবেন। তার পর ৫০০ টাকা হাতে দিয়ে নির্মাণসামগ্রী কিনে আনতে বলেন।‌ রাজমিস্ত্রির কথায়, ‘‘বাথরুমের আকার চার বাই ছয় ফুট। দেখে বোঝা যাচ্ছিল বাথরুমের মেঝে বেশ নিচু ছিল। সেটিকে ভরাট করে উঁচু করা হয়েছে।’’ পর দিন এক জন সহকারীকে সঙ্গে নিয়ে সুরেন্দ্রের বাড়িতে আসেন রাজমিস্ত্রি রবি। তিনি সিমেন্ট দিয়ে মেঝে প্লাস্টার করেন। তার উপর টাইল্‌স বসিয়ে দেন। তাঁর কথায়, ‘‘কে জানত যেখানে কাজ করছি, তার নীচেই এক জনের দেহ পুঁতে রাখা আছে!’’ শুক্রবার ওই বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে সুরেন্দ্রের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনা আগরায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১৮ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুরেন্দ্র। ৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সুরেন্দ্র ক্ষীর খেতে ভালবাসতেন। ক্ষীরের সঙ্গে ১৫-১৬টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলেন স্ত্রী রুবি। তার পরই সুরেন্দ্রকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর দেহ ঘরের মধ্যে প্রথমে লুকিয়ে রাখেন রুবি। শাশুড়ি এবং দুই সন্তানকে খাইয়ে শুইয়ে দেওয়ার পর রাতে সুরেন্দ্রের দেহ টেনে বাথরুমে নিয়ে যান। তার পর বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে দেহ পুঁতে দেন। প্রমাণ লোপাট করতে বাথরুমের মেঝে মাটি দিয়ে ভরাট করে তার উপর টাইল্‌স বসিয়ে দেন।

Crime

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy