ঘুমিয়ে পড়েছেন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। তাঁর ঘুম ভাঙাতে এ বার ট্রাকভর্তি নষ্ট ফসল পাঠালেন ওয়াইএসআর তেলঙ্গানা পার্টির প্রধান ওয়াই এস শর্মিলা। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিশাল অংশে অসময় বৃষ্টির জেরে নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা জমির ফসল, কিন্তু সে দিকে না তাকিয়ে নতুন সচিবালয় নিয়েই মেতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই কেসিআরের ‘ঘুম ভাঙাতে’ নষ্ট ফসলের নমুনা পাঠালেন তিনি।
তেলঙ্গানায় অসময়ে প্রবল বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাঠের ফসল। ফলে প্রবল সমস্যায় পড়েছেন কৃষকেরা। তাকেই রাজনীতির হাতিয়ার করেছে বিরোধী ওয়াইএসআরটিপি। নষ্ট ফসল ভর্তি ট্রাককে পিছনে রেখে দলের প্রধান শর্মিলা বলেন, ‘‘আজ, ওয়াইএসআর তেলঙ্গানা পার্টি এই নষ্ট ফসল ট্রাকে করে কেসিআরকে পাঠাচ্ছে। আমাদের আশা, অন্তত এই ভোটের বছরে তাঁর ঘুম ভাঙবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ক্ষতিপূরণ পাবেন। ১০ লক্ষ একর জমির ফসল শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কেসিআরের দলের একজন বিধায়কও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাননি। সবাই যেন গভীর ঘুমে মগ্ন। তাঁরা সবাই ১৬০০ কোটির সচিবালয়ে হাসিমুখে ছবি তুলতে ব্যস্ত। এটা লজ্জার।’’
రైతుకు ముల్లు గుచ్చుకుంటే పంటితో తీస్తానన్న KCR ఎక్కడ?ఇది ముమ్మాటికీ కిసాన్ బర్బాద్ సర్కార్.అకాల వర్షంతో రాష్ట్రంలో 9 లక్షల ఎకరాలకుపైగా పంటనష్టం జరిగింది.ప్రభుత్వం లెక్కలు మార్చి చెబుతున్నా ఇప్పటికీ రైతులకు రూపాయి కూడా నష్టపరిహారం అందించలేదు.మరోవైపు అక్కడక్కడా తెరుచుకున్న IKP 1/2 pic.twitter.com/ExNhCIDUid
— YS Sharmila (@realyssharmila) May 2, 2023
শর্মিলার দাবি, গত ৯ বছরে রাজ্যে সব মিলিয়ে ফসল নষ্টের পরিমাণ ১৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। কেসিআর সরকারের ফসলবিমা না থাকার কথাও উঠে এসেছে শর্মিলার বক্তব্যে। তাঁর দাবি, কেসিআরকে একর প্রতি কৃষকদের ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ধান সংগ্রহ দ্রুত শুরু করার দাবিও তুলেছেন শর্মিলা।
শর্মিলা চাঁচাছোলা ভাষায় কেসিআর সরকারকে আক্রমণ করলেও এখনও পর্যন্ত তার কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিআরএস। সরকারের তরফেও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।