Advertisement
E-Paper

অবসরে মনটা বাউল মাটির টানে

বৈশাখ সবে শেষ হয়েছে, জ্যৈষ্ঠের শুরু—দুপুরবেলা রোদে ঝাঁ ঝাঁ করছে চারিদিক। এই সময় প্রতি বছরই এই সর গরম, সদা ব্যস্ত মুম্বই শহরটা কেমন একা হয়ে যায়। হাউজিং সোসাইটির নীচে খেলার জায়গাগুলো কিংবা পার্ক বা খেলার মাঠগুলো যেন খালি-খালি। বাচ্চাদের কলরোল স্তিমিত। আর হবে না-ই বা কেন! বাচ্চাদের অনেকেই যে গাঁও চলে গেছে।

পারমিতা মুখোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০১৫ ০০:০৩

বৈশাখ সবে শেষ হয়েছে, জ্যৈষ্ঠের শুরু—দুপুরবেলা রোদে ঝাঁ ঝাঁ করছে চারিদিক। এই সময় প্রতি বছরই এই সর গরম, সদা ব্যস্ত মুম্বই শহরটা কেমন একা হয়ে যায়। হাউজিং সোসাইটির নীচে খেলার জায়গাগুলো কিংবা পার্ক বা খেলার মাঠগুলো যেন খালি-খালি। বাচ্চাদের কলরোল স্তিমিত। আর হবে না-ই বা কেন! বাচ্চাদের অনেকেই যে গাঁও চলে গেছে। গাঁও মানে? মানে যেখানে তাদের শিকড় সেই শহর বা গ্রামে তারা বেড়াতে গেছে কিংবা কেউ কেউ হয়তো বাবা, মা বা পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গেছে পাহাড়ে। আর যে সব কচিকাঁচা যায়নি, তাদের ভারি দুঃখ এখন। কেমন মন-খারাপ মন-খারাপ ভাব করে ঘুরে বেড়ায়—বন্ধুরা কেউ নেই। আসলে বছরে এই একটা সময়ই একমাসের বেশি ছুটি—গ্রীষ্মাবকাশের অখণ্ড অবসর। এই সময়টাই তো এ দিক ও দিক ঘুরে আসার দারুণ সময়। স্কুল খুললেই যে আর দম ফেলবার ফুরসত পাওয়া যাবে না।

আমরা, যারা স্বইচ্ছাতেই হোক বা জোর করেই হোক, এই পরবাস জীবনযাপনে ক্রমশ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি—এই সময়টাই প্রকৃষ্ট সময় সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে শিকড়ের সন্ধানে ফিরে যাওয়া নিজের সেই পুরনো গৃহকোণটিতে। পুরনো দিনের কম স্মৃতি, কত অনুভব আবার নতুন করে রোমন্থন করা। মুম্বইয়ে তুমুল ব্যস্ততার মাঝে সে স্মৃতিকাতরতার সময় কোথায়? মাঝে মাঝে নিজেকে বড় বিপন্ন লাগে। মনে হয় এই নিরন্তর ছুটতে ছুটতে কোথায় চলেছি আমরা! বস্তুগত জগতের প্রাপ্তির নেশায় আমাদের চোখে ঠুলি পরিয়ে দেয়। আমরা দেখতে পাই না মাথার ওপর খোলা আকাশ, শুনতে পাই না পাখিদের গান, চলতে চলতে কোনও নাম-না-জানা বুনো ফুলের সৌন্দর্য দেখে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ি না। বস্তুবাদী জীবনযাত্রায় নেহাতই অকিঞ্চিৎকর এই সব সৌন্দর্য থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়ার সময়ই নিজেকে বড় বেশি অস্থির লাগে। মনে হয় কী যেন হারিয়ে ফেলছি জীবন থেকে। তাই প্রয়োজন হয় তুমুল ব্যস্ততার জীবন থেকে ক্ষণিকের অবসর। আর এই অবসরেই খুঁজে ফিরি সে শিকড়টাকে।

এই দেখুন, সুধীজন, এত কথা। বললুম আর এটাই বলা হয়নি যে, মুম্বইয়ের কাজের চাকা ঘোরানোর জীবন থেকে আমি কয়েকদিনের ছুটি পেয়েছি। আর ছুটি পেয়েই সটান চলে এসেছি এই বাংলায়। কিশোরিবেলার স্মৃতিবিজড়িত মফস্সল শহরটায় ছোট্ট বাড়িটার প্রতিটি কোণ নিজের চেনা। ধুলো সরালেই স্মৃতির ছবিগুলো কত স্পষ্ট দেখা যায়। বাড়ির ছাদ জুড়ে কত স্বপ্নের মেলা! মনের পর্দা সরিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি স্বপ্নরা এখনও ডানা মেলেছে মনটাকে নিয়ে ওই সুদূর দিগন্তে পাড়ি দেবে বলে। ছাদ-এমন একটুকরো ছাদ মুম্বইয়ে কোথায় পাই। সন্ধেবেলায় মাদুর বা সতরঞ্চি নিয়ে ছাদে বসা—সন্ধের ফুরফুরে হাওয়া শরীরে বুলিয়ে দিচ্ছে মিঠে পরশ। বিকেলের আলো নিভে আসা আকাশে ঘরমুখো পাখিদের কালোচ্ছ্বাস। অনেক উঁচুতে রাজকীয় ভঙ্গিমায় উড়ছে দুটো একটা চিল।

দিন আর রাতের সন্ধিক্ষণে মনে হয় থমকে যাক সময়। ফিরে আসুক আবার সেই কৌশোর ও প্রথম যৌবনের সোনালি দিনগুলো। কোনও এক অচিন পাখির খোঁজে মনটা ডানা মেলুক আকাশে এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়। অদেখা, অচেনা কেউ কি রক্তিম পলাশের স্বপ্ন ছড়িয়ে দেবে দু’চোখ জুড়ে! একটা মন কেমন করা গাঢ় অনুভূতি—সে যে কেমন লিখে যেন ঠিক বোঝানো যায় না।

এক বছর পর নিজের জায়গায় ফিরে এসে মনটা যেন এক অদৃশ্য মায়ার বাঁধনে জড়িয়ে পড়ে। স্মৃতির সরণী দিয়ে চলতে চলতে পটের দু’পাশে অতীত দৃশ্যগুলো যেন ঢেউয়ের মতো ভাঙতে থাকে মনের কিনারায়। জীবনের হাজারো দ্বন্দ্ব, ভাঙা-গড়া, ওঠা-নামার মধ্যে আমাদের সজীব করে রাখে এই সব প্রগাঢ় অনুভূতিগুলোই।

বড় বেশি স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়ছি তাই না? আসলে পরবাসে থাকলেও এই বাংলার সঙ্গে এত নিবিড় ভাবে জড়িয়ে রয়েছি যে কিছুতেই ভালো যায় না অতীতের সুখস্মৃতি, ঘটনাপ্রবাহ। বারে বারে তা ঘা দিয়ে যায় মনের দরজায়। তবে আর নয়, এ বার অনুভূতিগুলোকে প্যান্ডোরার বাক্সোয় তালাবন্ধ করে রাখি। আবার পরে এক সময় বাক্সোটা খোলা যাবে!

এ বার দেখুন তো, অবশ্যই মনশ্চক্ষে, মফসসল শহরের রাস্তায় তিন চাকাওয়ালা যে অভিনব গাড়িগুলো সওয়ারি নিয়ে চলে বেড়াচ্ছে, সেগুলোকে চিনতে পারবেন কি না! পারলেন না তো! এগুলো হচ্ছে টোটো গাড়ি বা ব্যাটারিচালিত রিকসা অথবা বলা যেতে পারে ইকো ফ্রেন্ডলি রিক্সা—ই-রিস্কা। এক বছর বাদে পশ্চিমবঙ্গে এসে দেখি মফস্সলের রাস্তায় এটি নবতম সংযোজন। আমার পুঁচকেটা রাস্তায় টোটো গাড়ি দেখেই বায়না জুড়েছে টোটো চড়ব, টোটো চড়ব। মুম্বইতে সে অটো চড়ে হরবখত কিন্তু টোটো—এমন মজাদার নামের গাড়ি—নাম শুনেই তার চড়তে ইচ্ছে করছে। পুঁচকের ওই বায়না পেল্লায় আকার ধারণ করার আগেই তাড়াতাড়ি তাকে বসিয়ে দিলুম একটা টোটোয়। তার পর নিজেও চড়ে বসলুম। সামনের দিকটা অনেকটাই অটোরিক্সারই মতো। তবে টোটোতে শুধু উপরে ছাউনি আর চারপাশটা খোলা। বসার জায়গাও বেশ প্রশস্ত। চার পাঁচ জন হেসেখেলে বসা যায়। জনবহুল রাস্তায় বেশ টুকটুক করে চলল টোটো। আমার পাশে বসা সহযাত্রিনী বললেন, টোটো হয়ে নাকি বেশ সুবিধে হয়েছে। কম ভাড়ায় বেশ তাড়াতাড়ি এখান ওখান যাওয়া যায়।

দেখেশুনে মনে হল তাতে টোটো আগামী দিনে হট কেক হয়ে যেতে পারে। টোটো চালাতে পেট্রোল বা ডিজেল বা সিএনজি কিছুই লাগে না। ব্যাটারিচালিত এই গাড়ির ব্যাটারি চার্জের খরচও খুব বেশি নয়। কাজেই ভাড়া তো কম হবেই। আর তা ছাড়া টোটো গাড়ি পরিবেশবান্ধব। যেহেতু জ্বালানি লাগছে না, তাই ধোঁয়াও নেই। এই মারাত্মক পরিবেশ দূষণের যুগে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা টোটো গাড়ির পক্ষে একটা সদর্থক যুক্তি। সওয়ারিও বেশি নেওয়া য়ায় এ গাড়িতে। ছোট শহর, মফস্সল, শহরগুলিতে বা গ্রামে অল্প দূরত্ব যাতায়াতের জন্য টোটো রিক্সা সত্যিই যথোপযুক্ত।

তবে হ্যাঁ, গাড়ির শহর মুম্বইয়ের শহরতলিতে এটি উপযোগী হবে কি না তা বলা শক্ত। নবী মুম্বইয়েও দেখি সওয়ারিদের যেমন ব্যস্ততা অটোরিক্সা চালকদেরও তার থেকে কম ব্যস্ততা নেই। দু’দণ্ড অপেক্ষা করার ফুরসত নেই তাদের। অটোয় ওঠার আগেই ঘটাং করে ইঞ্জিন চালু আর উঠতে না উঠতেই সাঁ করে জেট গতিতে ছুট। অটোরিকসার মতো অত দ্রুতগতিসম্পন্ন নয় টোটো। টোটোর হালহকিকৎ শুনছিলুম টোটোচালক অমিত দেবনাথের কাছে। অল্পবয়সি ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কতদিন হল টোটো চালু হয়েছে আর কেমন চলছে টোটো গাড়ি? তা প্রায় এক বছর হল টোটো চলছে এখানে। টোটো গাড়ি হওয়ায় অনেক ছেলে কাজ পেয়েছে। স্কুল, কলেজ পাস করে ছেলেরা শপিং মলে বা অন্য কোথাও চাকরি করে মাসে সাত আট হাজারের বেশি পায় না সেখানে টোটো গাড়ি চালিয়ে মাসে পনেরো হাজার টাকা আয় করা যাচ্ছে। অটোরিকসার মতো গতি নিশ্চয়ই নেই টোটোর।

না, তা নেই। টোটো গাড়ির স্পিড সব থেকে বেশি পঁচিশ কিলোমিটার ঘণ্টায়। এ গাড়ির গিয়ার নেই। এ গাড়ি তো ব্যাটারিতে চলে। খরচা কী রকম হয়?

প্রতিদিন ব্যাটারি চার্জ দিতে পঞ্চাশ টাকা করে খরচ হয়। সারাদিন গাড়ি চালালে সেখানে প্রায় পাঁচ-ছশো টাকা আয় হয় দিনে। কাজেই খরচা খুব বেশি নয়। এক বছর বাদে ব্যাটারি পাল্টাতে হয়। সেখানে এককালীন প্রায় পঁচিশ-তিরিশ হাজার টাকা খরচ। তবে সে খরচ পুষিয়ে যায়।

যাত্রী কেমন হচ্ছে টোটো গাড়িতে?

তা খারাপ হচ্ছে না। চলে যাচ্ছে। টোটোচালক অমিতের কথায় বেশ খুশি খুশি ভাব। এই গরমে বিকেলবেলা টোটো গাড়িতে চড়ে ফুরফুরে হাওয়া খেতে আমারও নেহাত মন্দ লাগছিল না।

একে জস্টি মাস। আম, কাঁঠাল পাকানো গরম পড়েছে। তার ওপর এসে পড়েছি এমন একটা সময় যখন জামাই বাবাজীবনরা দিন গুনছেন কবে শাশুড়ি ঠাকুরণের হাতে চর্ব-চোষ্য ভোজন করবেন। আরে, জামাই ষষ্ঠী—এই পার্বণটা ভুলে গেলে চলবে! এই লেখাটা মুম্বইতে যে দিন প্রকাশিত হবে, সে দিনই যে জামাইষষ্ঠী। কত বছর বাদে যে পশ্চিমবঙ্গে জামাইষষ্ঠীতে উপস্থিত থাকছি—তা প্রায় আট-ন’বছর হবে।

তবে আমার আর কী! মজা তো আমার বেটার-হাফের। বাসমতি চালের ভাত বা পোলাও, ছোলার ডাল, ব্যসন দিয়ে তোপসে মাছ ভাজা, পাবদা মাছের ঝোল, পোনা মাছের কালিয়া, মুরগির মাংস, আমের চাটনি আর শেষ পাতে রাজভোগ আর মিষ্টি দই। অবিশ্যি আইসক্রিমও থাকতে পারে। জামাইদের সে দিন কী আদর, কী আদর!

মনে মনে ভাবি, বউ বা মেয়েদের কপালে ফি বছর এমন আদর যে কেন জোটে না! চার দিকে নানা ক্ষেত্রে এত আধুনিকীকরণ হচ্ছে অথচ জামাইষষ্ঠীরও যে একটা আধুনিক রূপ দেওয়া উচিত সে কথাটা কেউ ভাবে না। চতুর্দিকে এত নারীবাদী আন্দোলন আর একটা বউ ষষ্ঠীর প্রচলন করা কি এতই কঠিন? ভাবতেও ভাল লাগে যে, শাশুড়িমাতারা বধূমাতাদের আসন পেতে বসিয়ে সামনে কাঁসার বগিথালার চারপাশে বাটিতে বাটিতে সাজিয়ে দিচ্ছেন ষোড়শ উপচার। খাও মা খাও, বলে পাখার বাতাস করছেন। আহা হা, ভেবেও শান্তি।

কিংবা অত্যাধুনিক শাশুড়িরা হয়তো বলছেন, চল বউমা, আজ আর রান্নাবান্না নয়। কিচনে বন্ধ। চল, আজ বাইরে কোথাও লাঞ্চ করে আসি। আজকের পার্টি আমাদের দুজনের অনারেই। আজ বউ-ষষ্ঠী কি না। আর আমরা তো দুজনেই বাড়ির বউ। কী বল বউমা?

এমনই করে মজায় মজায় যদি জীবনটা কেটে যেত তবে বেশ হত। কিন্তু তা তো হবার নয়। গোলাপেরও কাঁটা থাকে আর সুখের মাঝেই লুকিয়ে থাকে দুঃখের চোরাস্রোত। কলকাতায় এসেই আর এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। তা হল ভূমিকম্প। বারোই মে দুপুরবেলা পরিষ্কার অনুভব করলুম কম্পন। বসেছিলাম চেয়ারে। চেয়ারটা দুলে উঠল। ছাদ থেকে ঝোলানো ঝড়লণ্ঠনটাও তখন প্রবল দুলছে। সে দিন বহুদিন বাদে আত্মীয়স্বজন ভাই বোনেদের সঙ্গে মিলেছিলুম মিলন মেলায়। ভূমিকম্পের চোটে দুদ্দাড় করে তখন বাড়ি থেকে বেরোতে পারলে বাঁচি। তবে না, সে রকম কিছু আর হল না। তবে টিভি খুলে দেখি আবার নেপাল—এ বারের কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে সাতের বেশি। নব্বইয়ের দশকের শেষে নেপাল গিয়েছিলাম। দেখেছিলাম ওই ছোট্ট দেশটার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং স্থাপত্যশিল্প। ২৫ এপ্রিল এবং ১২ মে পর পর দু বার প্রলয়ঙ্কর ভূমিকম্পে কী ভাবে দেশটা ছারখার হয়ে গেল ভাবলে চোখে জল আসে। মনে হয়, এই কি মানুষের জীবন? পদ্মপত্রে জল!

দু’দিনের হাসি-খেলা এই পৃথিবীতে। কে কখন চলে যাবে কেউ বলতে পারে না। যেমন চলে গেলেন আমাদের প্রিয় সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্য। বড় অসময়ে তাঁর এই চলে যাওয়া বাংলা সাহিত্যের জগতে সৃষ্টি করল শূন্যতার।

আরও অনেক কিছু পাওয়ার ছিল ওঁর কাছ থেকে। একজন নারী হয়ে নারী জীবনের যন্ত্রণা, টানাপোড়েন, সমস্যা ও উপলব্ধির কথা তিনি তাঁর লেখনিতে ফুটিয়ে তুলেছিলেন নিপুণ ভাবে। নানা সামাজিক সমস্যা, মানবিক সম্পর্কের বিশ্লেষণ স্থান পেয়েছিল তাঁর গল্প, উপন্যাসে।

সুচিত্রা ভট্টাচার্যের একাধিক সৃষ্টি থেকে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র। ‘দহন’, ‘অলীক সুখ’, ‘ইচ্ছে’, প্রভৃতি বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নানা সম্মান ও পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন তিনি। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর এমন হঠাৎ চলে যাওয়া বড় বেদনাদায়ক। মানুষের জীবন অবিরল অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলে। সে অভিজ্ঞতা ভাল হোক বা মন্দ—সবই জমা হতে থাকে মনের কোণে। আর এই সব অভিজ্ঞতাই মানুষকে পথ দেখায়, উন্মোচিত করে অন্তর্দৃষ্টি। কথায় কথায় অনেক কিছু লেখা হয়ে গেল। এ বার শেষ করার পালা। এইখানে আপনাদের চুপি চুপি জানিয়ে রাখি, এই মাসের শেষের দিকে আবার নেপাল বেড়াতে যাওয়ার কথা ছিল সপরিবারে। প্রথম কম্পনটা এই সময় হলে বোধহয় আর....। না যাক, সে কথানা ভাবাই ভাল!

আপনারা সকলে ভাল থাকবেন। আজ আসি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy