লামডিং-শিলচর ব্রডগেজ লাইনে কয়েক মাসের মধ্যেই যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর ইঙ্গিত দিলেন কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি (সিআরএস)। সুদর্শন নায়েক।
সরাসরি কিছু না বললেও ওই রুটে লাইন পরিদর্শনের পর তিনি জানান— ‘সামান্য কিছু কারিগরী ত্রুটি রয়েছে। সেগুলি ঠিক করলেই হবে।’ এতে আশার আলো ছড়িয়েছে বরাকে। তা আরও জোরাল হয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের নির্মাণ শাখার মুখ্য প্রশাসনিক অফিসার অজিত পণ্ডিতের কথাতে। তিনি বলেছেন, ‘‘অগস্টেই এখানে যাত্রীবাহী ট্রেন চালিয়ে দেব।’’ পাশে দাঁড়িয়ে অজিতবাবুর মন্তব্য শুনে নীরবে সায় দিয়েছেন রেলের সিআরএস-ও।
দু’দিন ধরে একই ট্রলিতে দুই রেলকর্তা শিলচর-চন্দ্রনাথপুর, চন্দ্রনাথপুর-হাফলং লাইন পরিদর্শন করেছেন। পরে পাশাপাশি আসনে বসেন ট্রেনের স্পিড ট্রায়ালে। ২২ ও ২৩ জুন শিলচর থেকে নিউ হাফলং পর্যন্ত লাইনে মোটর-ট্রলি নিয়ে ঘুরেছেন সুদর্শনবাবু। ব্রডগেজ লাইনের সেতু, সুড়ঙ্গ, সিগন্যাল, বিদ্যুৎ, জলের ব্যবস্থা খুঁটিয়ে দেখেছেন তিনি। রেলের ওই শীর্ষকর্তা বলেন, ‘‘যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর আগে যাত্রীদের সুরক্ষা ও স্বাচ্ছ্যন্দের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। কলকাতা ফিরে পরিদর্শনের রিপোর্ট তৈরি করে রেল মন্ত্রকে জানাবো।’’ গত রাতে হাফলং থেকে শিলচর পর্যন্ত ট্রেনের ‘হাইস্পিড ট্রায়াল’ও করেন সুদর্শনবাবু। গত ২৭ মার্চ লামডিং-শিলচর ব্রডগেজ লাইনে মালগাড়ি চলাচল শুরু হলেও, এখনও পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়নি। ১৯ থেকে ২১ মার্চ লামডিং-নিউহাফলঙের মধ্যে সিআরএস-এর পরিদর্শন শেষ হয়েছিল। কিন্তু নিউ হাফলং-শিলচরের মধ্যে তা বারবার স্থগিত করা হয়। এ বার নিউ হাফলং-শিলচর পরিদর্শনের কাজ শেষ হয়।
সহায়তা কেন্দ্র খুলল কংগ্রেসও। বিজেপির পর এ বার এনআরসি সহায়তা কেন্দ্র খুলল কংগ্রেসও। আজ জেলা কংগ্রেস ভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই সহায়তা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন হাইলাকান্দি জেলা কংগ্রেস সভাপতি অশোক দত্তগুপ্ত। কংগ্রেস পরিচালিত এই কেন্দের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গৌতম রায় হেল্প সেন্টার’। জেলা সদর ছাড়াও হাইলাকান্দির আরও ৬ টি স্থানে সাহায্য কেন্দ্র খোলা হবে বলে জেলা সভাপতি জানান।