গোষ্ঠী সংঘর্ষ, ময়নাগড় কাণ্ড, বেহাল সড়ক ও বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে ক্ষুব্ধ বরাক। এমন পরিস্থিতির মধ্যে শিলচরের সাংসদ ‘নিখোঁজ’ কেন, সেই প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা তথা অল কাছাড়-করিমগঞ্জ-হাইলাকান্দি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আকসা)-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদীপ দত্তরায়।
আজ তিনি বলেন, ‘‘চার দিকে অস্থিরতা চলছে। কিন্তু স্থানীয় সাংসদের কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। তিনি কোথায় আছেন তাও কারও জানা নেই।’’ প্রদীপবাবুর অভিযোগ, রাহুল গাঁধীকে অনুসরণ করে সুস্মিতাদেবীও ‘মৌন ব্রত’ নিয়েছেন। গা-ঢাকা দিয়েছেন অজ্ঞাতবাসে। তাঁর বক্তব্য, ‘‘শুধু সংসদে স্লোগান দিয়েই সাংসদের দায়িত্ব শেষ হয় না। জনতা সব খেয়াল রাখছেন। ২০১৬ সালের ভোটেই তাঁরা উপযুক্ত জবাব দেবেন।’’
এ দিকে, ঘটনাক্রমে সুস্মিতা দেব এ দিনই আমেরিকা সফর সেরে শিলচরে ফিরেছেন। তিনি জানান, ক্যান্সার বিষয়ক সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে তিনি আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্বব্যাঙ্কের সদর দফতরে গিয়েছিলেন। সুস্মিতাদেবী বলেন, ‘‘নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ হাস্যকর। বিজেপি সাংসদ রমেশ চন্দ্রনের সঙ্গে থাকার পরও প্রদীপদা আমাকে খুঁজে পেলেন না! ’’
এ দিন জেলা কংগ্রেস সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ কর্ণেন্দু ভট্টাচার্যকেও একহাত নেন প্রদীপবাবু। তিনি বলেন, ‘‘কর্ণেন্দুবাবুও একটি দিন গিয়ে ময়নাগড়ের শ্রমিকদের খবর নিলেন না।’’