যথেষ্ট এমপি-র সমর্থন পাবেন না, এই আশঙ্কায় ব্রেক্সিট বিল নিয়ে পার্লামেন্টে ভোটাভুটি পিছিয়ে দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। আজই আবার ইউরোপীয় কোর্ট অব জাস্টিস জানিয়েছে, ব্রিটেন যদি চায়, যে কোনও সময়ে ব্রেক্সিটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতেই পারে। তার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর ২৭ সদস্য দেশের অনুমতি নেওয়ার দরকার নেই।

কাল, মঙ্গলবার, ব্রেক্সিট বিলটি নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভোটের কথা ছিল। সেই ভোট স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনের কথায়, ‘‘বিষয়টির উপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন মে।’’ এই ঘোষণার পরে গত দেড় বছরে আজ সব থেকে নীচে নেমেছে পাউন্ডের দর (ডলারের সাপেক্ষে)।

ব্রেক্সিট বিলের যে জায়গাটি নিয়ে বিরোধীদের, এমনকি দলেরও একটা বড় অংশের তোপের মুখে পড়েছেন মে, সেটি হল নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড সংক্রান্ত নীতি।  যা পাল্টানোর জন্য ক্রমাগত চাপ বেড়েছে মে-র উপর। পার্লামেন্টে বিল পাশ করাতে পারবেন না বলে গত কয়েক দিন ধরে ঘনিষ্ঠ মহলে আশঙ্কা প্রকাশ করছিলেন টেরেসা। আজ তিনি জানান, ইইউ-এর নেতাদের সঙ্গে আর এক বার কথা বলে নীতিটি পাল্টানোর চেষ্টা করবেন। যা শুনেই ইইউ-এর তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ব্রেক্সিট খসড়া চুক্তিতে ইতিমধ্যে সই করেছে ইইউ এবং ব্রিটেন, দু’পক্ষই। সেই চুক্তি বলছে, ২০১৯-এর ২৯ মার্চ  ইইউ থেকে বেরিয়ে আসবে ব্রিটেন। সেই মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে ইইউ।