দোরগোড়ায় গ্রীষ্ম। বসন্তেই গরমের দাপট বাড়ছে সকালের দিকে। সে সময়ে শরীরকে ঠান্ডা রাখা এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে এমন খাবার খাওয়া ভাল, যেগুলিতে জলের পরিমাণ বেশি। শসা সেই দিক থেকে অন্যতম উপকারী সব্জি। এতে প্রায় ৯৫ শতাংশই জল থাকে। তাই শরীরকে ঠান্ডা রাখতে, জলশূন্যতা এড়াতে এবং গরমে ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে শসা। কিন্তু খালি শসা খেতে অনেকেই ভালবাসেন না। সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর উপায়ে শসা দিয়ে নানা ধরনের খাবার বানিয়ে নিতে পারেন। স্বাদও বাড়বে, পুষ্টিতেও খামতি থাকবে না।
শসা দিয়ে ৭ রকমের প্রাতরাশ—
শসার বড়া: কুচোনো শসা, লঙ্কাকুচি, বাদামকুচি বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। তার পর পেঁয়াজির মতো বড়া বানিয়ে নিন। মুড়ি বা ডাল-ভাতের সঙ্গে সকালে ও দুপুরে সুস্বাদু, মুচমুচে খাবার খেতে পারবেন।
শসার বড়া। ছবি: সংগৃহীত
শসার পোহা: চিঁড়ের পোহায় কুচোনো শসা মিশিয়ে দিলে স্বাদে নতুনত্ব আসবে। গরমের দিনে এটি পেটও ভরাবে, আবার আরামদায়কও হবে।
শসার রায়তা: দইয়ের সঙ্গে কোরানো শসা, সামান্য ভাজা জিরেগুঁড়ো ও নুন মিশিয়ে খুব সহজেই বানানো যায় শসার রায়তা। রুটি, পরোটা, পোলাও বা অন্য কিছুর সঙ্গী হিসেবে সকাল বা দুপুরে দারুণ মানানসই হবে। এমন রায়তা হজমেও সাহায্য করে।
শসার রায়তা। ছবি: সংগৃহীত
শসার পরোটা: আটা বা ময়দা মাখার আগে কুচোনো শসা মিশিয়ে সহজেই পরোটা বানানো যায়। এতে পরোটা নরম হবে, পুষ্টিগুণও বাড়বে। সাধারণ পরোটার থেকে এর স্বাদও একটু আলাদা।
শসার ইডলি: ইডলির ব্যাটারে কুচোনো শসা, গাজর আর অল্প আদা মিশিয়ে তার পর মাইক্রোঅয়েভ অভেন বা স্টিমারে বসিয়ে দিন। এতে ইডলি আরও নরম হবে। খাবারের পুষ্টিগুণও বাড়বে।
শসার ইডলি। ছবি: সংগৃহীত
শসার ডালিয়া: ডালিয়া রান্না করার পর তাতে কুচোনো শসা মিশিয়ে দিন। সঙ্গে টম্যাটো, কড়াইশুঁটিও ঢেলে দিতে পারেন। এর ফলে ডালিয়ায় ফাইবারের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে হজম ভাল হয় এবং শরীরও ভারী লাগে না।
আরও পড়ুন:
শসার স্যান্ডউইচ: পাউরুটি সেঁকে তার মাঝে শসা কেটে কেটে ভরে দিন। সঙ্গে মাখন ও নুন দিয়ে মাখা আলু সেদ্ধ পুরে দিন। পুদিনার চাটনি দিলে স্বাদ অন্য মাত্রা পাবে। গরমের সকালে এটি হালকা, সতেজ এবং সুস্বাদু একটি জলখাবার।