গোছা গোছা চুল উঠছে, মাথা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, তা যেমন সমস্যার, অনেক সময় আবার উল্টোটাও হয়। ঘন, লম্বা চুল নিয়েও ঝক্কিতে পড়েন অনেকেই। চুল ঝরার ঝামেলা না থাকলেও, বড় এবং ঘন চুলের পরিচর্যা সহজ কথা নয়। যত্নের অভাবে চুল হয়ে যায় রুক্ষ, জট পড়ে দ্রুত। চুলের মান ভাল না হলে, ইচ্ছেমতো কেশসজ্জাও সম্ভব হয় না। এমন চুল সামলানোর কৌশল কী?
সিরাম এবং ক্রিম: সোজা, ঢেউখেলানো বা কোঁকড়া— চুলের ধরন যেমনই হোক না কেন, কেশসজ্জার জন্য সঠিক প্রসাধনী বেছে নেওয়া দরকার। চুল রুক্ষ হলে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বড় চুলে খুব তাড়াতাড়ি জটও পড়ে যায়। ক্রিম বা সিরাম ব্যবহারে চুল নরম থাকে, দেখতে ভাল লাগে। পাশাপাশি, টেক্সচার স্প্রে দিলে চুল হালকা, ফুরফুরে হয়।
কেশসজ্জার জন্য প্রস্তুতি দরকার: বেঁধে বা খুলে— যে ভাবেই কেশসজ্জা হোক না কেন, তার জন্য চুলের প্রস্তুতি দরকার, মনে করাচ্ছেন কেশসজ্জা শিল্পীরা। ত্বকে যথাযথ আর্দ্রতা থাকলে যেমন মেকআপ ভাল হয়, চুলের ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য। হাইড্রেটিং শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার চুল নরম, মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন:
· হালকা ভিজে থাকা অবস্থায় চুল আঁচড়ালে জট এড়ানো সম্ভব। শ্যাম্পু করার আগেও চুলের জট ছাড়িয়ে নিলে সুবিধা হবে। শ্যাম্পুর পরে চুল হালকা ভিজে থাকা অবস্থায় মোটা দাঁড়ার চিরুনি বা জট ছাড়ানোর ব্রাশ দিয়ে চুল আঁচড়ে নিতে পারেন। তবে চুলে যেন বেশি টান না পড়ে, খেয়াল রাখা জরুরি। না হলে চুল ঝরতে পারে।
· চুল খুব ঘন হলে, তা বাগে আনতে বেগ পেতে হয়। চুল হালকা ভিজে থাকা অবস্থায় কেশসজ্জার জন্য ব্যবহৃত ক্রিম লাগিয়ে নিতে পারেন। তাপনিরোধী স্প্রে ব্যবহার করে ব্লো-ড্রাই করে নিলেই চুল ফুরফুরে হয়ে যাবে।
থাকুক আর্দ্রতাও: তেল মাখলে চুল মসৃণ থাকে, তবে তাতে আর্দ্রতা বা হাইড্রেশনের অভাব পূরণ হয় না। সালফেট মুক্ত হাইড্রেটেড শ্যাম্পু ব্যবহারের পাশাপাশি সপ্তাহে এক দিন হাইড্রেটেড হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলেও লাভ হবে। এতে রুক্ষ ভাব ধীরে ধীরে কমবে। চুল দেখাবে সুন্দর। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত জল খাওয়াও জরুরি।