মুখশ্রী যতই সুন্দর হোক না কেন, সৌন্দর্য নষ্ট করে দিতে পারে চোখের তলার কালি বা মুখের দাগছোপ। ক্লান্তি, ঘুমের অভাবে অনেকেরই চোখের নীচে বা চারপাশে কালি পড়ে। এই দাগ ত্বক থেকে সম্পূর্ণ তোলা সময়সাপেক্ষ। তবে রূপটানের সঠিক কৌশলে তা সাময়িক ভাবে ঢেকে দেওয়া মোটেই কঠিন নয়। কোন প্রসাধনীর পর কোনটা ব্যবহার করবেন, সেটা জানা জরুরি।
১) মেকআপ শুরু করার আগে চোখের তলায় ফোলা ভাব কমাতে আইস প্যাক বা ঠান্ডা আই জেল দিয়ে কিছু ক্ষণ মালিশ করে নিতে পারেন। এতে চোখের তলায় জমে থাকা ফ্লুইড সাময়িক হলেও দূর করা যায়।
২) এ বার চোখের চারপাশে মাখতে হবে আই ক্রিম। চোখ এবং চোখের চারপাশের ত্বক খুবই স্পর্শকাতর। তাই মেকআপ করার আগে এই অংশের ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা জরুরি।
৩) চোখের তলার কালচে ছোপ ঢাকতে ‘কারেক্টর’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাজারে বিভিন্ন রঙের কারেক্টর কিনতে পাওয়া যায়। চোখের তলায় কালচে ছোপ ঢাকতে পিচ বা কমলা রঙের কারেক্টর ব্যবহার করতে হবে। খুব সামান্য পরিমাণ কারেক্টর নিয়ে দাগছোপ-যুক্ত অংশে স্পঞ্জ বা ব্লেন্ডারের সাহায্যে ধরে ধরে তা মাখতে হয়, তবে তা ঘষলে চলবে না।
৪) এর পর ফাউন্ডেশন মাখার পালা। প্রয়োজন মতো ফাউন্ডেশন মুখে মেখে নিয়ে ভিজে স্পঞ্জ বা ব্লেন্ডারের সাহায্যে তা ত্বকে ভাল ভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
৫) এ বার চোখের ভিতর এবং বাইরের দিকে বিন্দু বিন্দু করে মেখে নিন কনসিলার। কনসিলার সাধারণত ফাউন্ডেশনের রঙের থেকে এক শেড হালকা কিনতে হয়। চোখের চারপাশে যদি খুব বেশি মাত্রায় বলিরেখা পড়ে গিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে একটু বেশি ঘনত্ব যুক্ত কনসিলার বেছে নিতে হবে। আর খুব বেশি কালচে ছোপ ঢাকতে ক্রিম বেস্ড কনসিলার বেছে নেওয়াই শ্রেয়।
৬) হাতের আঙুল বা ব্লেন্ডার দিয়ে চেপে কনসিলার ভাল করে ত্বকের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। সবশেষে চোখের চারপাশে ট্রান্সলুসেন্ট বা সেটিং পাউডার বুলিয়ে নিতে হবে। অতিরিক্ত পাউডার ব্রাশ দিয়ে ঝেড়ে নিলেই প্রাথমিক কাজ শেষ। এর পর প্রয়োজন অনুযায়ী কাজল, মাস্কারা বা আইশ্যাডোর পরত দেওয়া যেতে পারে।