প্রতি বছর তো বটেই, এমনকি বছরের নানা সময়ে প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলে যায় হাতঘড়ির ফ্যাশন। ঠিক যেমন নামজাদা ঘড়ির ব্র্যান্ডের অনেকগুলিই গ্রীষ্মকালে জোর দেয় সেরামিকের ঘড়ির ডিজাইনে। কী এই ঘড়ি? কেনই বা গরমে তার জনপ্রিয়তা বাড়ে? দেখে নেওয়া যাক।
সেরামিক বললেই চিনামাটির কাপ বা ডিশের কথা মনে আসে। সামান্য ধাক্কাতেও ভেঙে যেতে পারে যেগুলি। যদিও সেই সেরামিকের সঙ্গে ঘড়ি তৈরির সেরামিকের মিল নেই। ঘড়ির সেরামিক মোটেই অতটা ভঙ্গুর নয়। দেখতে ধাতব হাতঘড়ির থেকে বিশেষ আলাদাও নয় এই ঘড়ি। কিন্তু গরমে তার জনপ্রিয়তার কারণ কী?
গ্রীষ্মে ধাতব বা প্লাস্টিকের হাতঘড়ির তলায় ঘাম জমে বেশি। ত্বকে সাদা দাগ হয়ে যায়। তা ছাড়া ধাতব ঘড়ি গরমও হয় বেশি। ফলে ত্বকে অস্বস্তি হয়। এর কোনওটাই সেরামিকের ঘড়ির ক্ষেত্রে হয় না। যাঁদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর, তাঁরা এই ঘড়ি পরতে পারেন আরাম করে।
এ ছাড়াও সেরামিকের ঘরিড়র কতগুলি সুবিধা এবং অসুবিধা আছে। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি।
সুবিধা:
- দীর্ঘ দিন ব্যবহার করলেও এই ঘড়িতে বিশেষ দাগ পড়ে না। ফলে নতুনের মতোই থেকে যায়।
- ধাতব ঘড়ির তুলনায় ওজন খুব কম। ফলে পরতে অস্বস্তি হয় না।
- ত্বকের অ্যালার্জির সমস্যা যাঁদের আছে, তাঁদের দাতব ঘড়ি পরলে অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু সেরামিকের ঘড়িতে তা হয় না।
অসুবিধা:
- দাগ পড়ে না, এটাও যেমন সত্যি, পাশাপাশি এই ঘড়ি ধাতব হাতঘড়ির তুলনায় কিছুটা ভঙ্গুর। উঁচু থেকে শক্ত তলের উপর পড়লে, এটি ভেঙে যেতে পারে।
- এই ঘড়ি তৈরি করতে অনেক বেশি ময় লাগে। ফলে অন্য ঘড়ির তুলনায় দাম কিছুটা বেশি হয়।