×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৪ জুলাই ২০২১ ই-পেপার

করোনা সংক্রমণের সময় কোন কোন ফল বেশি খাবেন

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০১ এপ্রিল ২০২০ ১৩:৩৫
এখন প্রয়োজন নানা ধরনের লেবুজাতীয় ফল। ছবি- শাটারস্টকের সৌজন্যে।

এখন প্রয়োজন নানা ধরনের লেবুজাতীয় ফল। ছবি- শাটারস্টকের সৌজন্যে।

কোভিড-১৯ এর দ্রুত সংক্রমণ রুখতে চলছে লকডাউন। এই সময় গৃহবন্দি হয়ে থাকার সময় আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার ব্যাপারে নানা ধরনের নিয়ম মেনে চলা জরুরি। তার মধ্যে অন্যতম খাদ্যাভ্যাস। কী খাব আর কী খাব না, সেটা বুঝে নেওয়াটা এখন খুব জরুরি। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই সময় নানা ধরনের ফল খাওয়ার খুব প্রয়োজন। তাতে যে কোনও ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের শরীর অনেক বেশি প্রস্তুত থাকতে পারবে।

বিভিন্ন ধরনের ফলের মধ্যে চিকিৎসকেরা মূলত লেবুজাতীয় ফল খাওয়ার উপরেই বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছেন।

চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাসের কথায়, ‘‘লেবুজাতীয় নানা ধরনের ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি। আমাদের শরীরকে শক্তপোক্ত ভাবে ধরে রাখা, কোষগুলির মধ্যে যোগাযোগকে মসৃণ রাখার ব্যাপারে এক ধরনের প্রোটিনের খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেই প্রোটিনের নাম ‘কোলাজেন’। আমাদের শরীরই এই প্রোটিন তৈরি করে। ভিটামিন-সি সেই কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়ায় কার্যত অনুঘটকের কাজ করে।’’

Advertisement

প্রায় সব ধরনের লেবুজাতীয় ফলেই থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি। মুসাম্বি লেবু, পাতি লেবু, কাগজি লেবু, কমলা লেবু, বাতাবি লেবুতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি। তাই চিকিৎসেকরা বলছেন, গৃহবন্দিত্বের সময় বাড়ির খাওয়াদাওয়া বা অফিসে যেতে হলে টিফিনেও বিভিন্ন ধরনের লেবুজাতীয় ফলের এখন খুব প্রয়োজন। তাতে আমাদের শরীরে কোলাজেন তৈরির কাজটা সহজতর হবে।

আরও পড়ুন: স্যানিটাইজার মিলছে না? হাত ধুতে এর চেয়েও ভাল বিকল্প কী?

আরও পড়ুন: মোবাইলেও ঘাপটি মেরে থাকে করোনাভাইরাস, কী ভাবে ব্যবহার করলে দূরে থাকবে অসুখ?

অরিন্দম জানাচ্ছেন, একই সঙ্গে দরকার পেয়ারা খাওয়া। পেয়ারায় থাকে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন। দরকার আপেল খাওয়া। আর প্রয়োজন বেদানা। লোহার সঙ্গে নানা ধরনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে থাকে এই ফলগুলিতে।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, যে কোনও ধরনের ভিটামিন সব সময়েই আমাদের শরীরের পক্ষে উপকারী। আর করোনা সংক্রমণের জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে শরীরের প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও সক্রিয় রাখার প্রয়োজন আরও বেড়ে গিয়েছে। তাই নানা ধরনের ফল এখন নিয়মিত ভাবে খাওয়া প্রয়োজন।

Advertisement