Advertisement
E-Paper

দুপুর হলেই উত্তাপ বাড়ছে, বাতানুকূল যন্ত্র বেশি ক্ষণ না চালিয়েও ঘর ঠান্ডা রাখার কৌশল জেনে নিন

বেলা বাড়লেই লু বইছে। ঘরের ভিতরের তাপমাত্রাও বাড়ছে। সারা ক্ষণ বাতানুকূল যন্ত্রটি চালু রাখা সম্ভব নয়। এ দিকে এসি বন্ধ করলেই যে কে সেই অবস্থা। তা হলে উপায়?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৫ ১৮:৫৭
গরমের দুপুরে এসি ছাড়াও ঠান্ডা থাকবে ঘর, জেনে নিন উপায়।

গরমের দুপুরে এসি ছাড়াও ঠান্ডা থাকবে ঘর, জেনে নিন উপায়। ছবি: ফ্রিপিক।

গরম দিন দিন বাড়ছে। তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আর্দ্রতা। গনগনে রোদে বাইরে বেরোলেই ঝলসে যাচ্ছে চোখমুখ। তবে বাড়িতেও যে স্বস্তি মিলছে, তা কিন্তু নয়। রোদের তাপে তেতে উঠছে বাড়িঘর। দুপুরের দিকে সূর্য যখন মধ্যগগনে, তখন বাড়িতে থাকাই দায় হয়ে উঠছে। অগত্য ভরসা এয়ার কুলার বা এসি। কিন্তু বাতানুকূল যন্ত্রও যে সর্বক্ষণ চালিয়ে রাখা যায় তা-ও নয়। আবার সেটি বন্ধ করলেও ঘর ফের গরম হয়ে উঠছে। তা হলে উপায়?

এসি বা এয়ার কুলার দীর্ঘ সময় না চালিয়েও ঘর ঠান্ডা রাখা যায়। বিশেষ করে দুপুরে যখন তাপমাত্রার পারদ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে, সেই সময়ে কোন কোন কৌশলে ঘর ঠান্ডা রাখবেন জেনে নিন।

সুতি বা লিনেনের পর্দা

গরমের দিনে সুতির চাদর বিছানায় পাতুন। পর্দা সুতি বা লিনেনের হলেই ভাল। তা যেন হালকা রঙের হয়। হালকা রঙের চাদর আর পর্দা তাপ প্রতিফলিত করবে, তার ফলে ঘর ঠান্ডা রাখতে সুবিধে হবে। চাদর আর পর্দা বেশি ময়লা হওয়ার আগেই কেচে ফেলুন।

ঘরে হাওয়া চলাচল যেন হয়

গরম মানেই সব জানলা-দরজা বন্ধ করে দিলে ঘর আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। দুপুরের সময়টাতে জানলা বন্ধ রেখে পর্দা টেনে দিন। তবে বিকেলে জানলা খুলে দিন। বিকেলের পর থেকে বাইরের তাপমাত্রা কমতে থাকে। তখনও সব জানলা-দরজা বন্ধ করে রাখেন, তা হলে আপনার ঘর আরও বেশি গরম হয়ে উঠবে। তাই সন্ধ্যার পর জানলা, দরজা খুলে রাখুন। ঘরে হাওয়া-বাতাস খেলতে দিন। একটু পরে এমনিতেই ঘর ঠান্ডা হয়ে আসবে।

জোরালো আলো জ্বালবেন না

ঘর আবছা অন্ধকার থাকলে গরম কম লাগবে। তাই টিউলাইট বা বেশি ওয়াটের আলো কম জ্বালানোই ভাল। যাঁরা কম্পিউটারে কাজ করছেন, তাঁদের কম আলোতে অসুবিধে হলে টেবিল ল্যাম্প জ্বেলে নিন। এলইডি আলো থাকলে ভাল হয়।

গাছ দিয়ে ঘর সাজান

ঘরের মধ্যে গাছ রাখলে তা দেখতেও সুন্দর লাগে, তাপও শুষে নেয়। মানিপ্লান্ট, অ্যালো ভেরা, স্নেক প্লান্ট, এরিকা পাম ঘরে দিব্যি সুন্দর লাগে দেখতে। এইসব গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড ছেঁকে নিয়ে বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়। খুব কম জলে বাঁচে। বেশি আলোরও প্রয়োজন নেই। সপ্তাহে একদিন বা কোনও কোনও সময়ে দশ দিনে একবার জল দিলেও চলে।

খসখস ব্যবহার করুন

এসির বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বহু দিন ধরেই। আর এই সূত্র ধরেই উঠে আসছে ঘর ঠান্ডা রাখার প্রাকৃতিক উপায় খসখসের নাম। ঘাসের শিকড় দিয়ে তৈরি খসখসের পর্দা ভিজিয়ে ঘরে টাঙিয়ে রাখলে নিমেষে ঠান্ডা হয় ঘর।

Home Decor
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy