১৯ বছর বয়সি অয়ন্তিকা। কলেজপড়ুয়া। কয়েক মাস আগেই নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন। প্রেমে পড়ার পর থেকেই অপেক্ষা করছিলেন পুজোর জন্য। একে নতুন প্রেম, তার উপর পুজো— সব মিলিয়ে জমাটি ব্যাপার। ষষ্ঠীর দিন থেকেই প্রেমিকের সঙ্গে বেরোনোর পরিকল্পনা অয়ন্তিকার। এর আগে নানা ব্যস্ততায় তেমন করে একসঙ্গে দীর্ঘ ক্ষণ সময় কাটানো হয়নি। ফলে পুজো হল মোক্ষম সময়। দু’জনকে চিনে নেওয়ার এমন সুবর্ণসুযোগ হাতছাড়া করা ঠিক হবে না। অয়ন্তিকার মতো অনেকেই আছেন যাঁদের নতুন সম্পর্কের পর এটা প্রথম পুজো। প্রথম বার পুজোয় একসঙ্গে বেরোবেন। সম্পর্ক আরও মজবুত করতে কোন কৌশলগুলি মাথায় রাখবেন?
আরও পড়ুন:
১) পুজোর সঙ্গে যানজটের যেন চিরাচরিত সম্পর্ক। কিছু ক্ষণের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে কয়েক ঘণ্টা। ফলে সকলেরই গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগছে। আপনার বলে দেওয়া জায়গায় আসতে সঙ্গী যদি খানিক দেরি করেন, বিরক্ত না হওয়াই ভাল। সামান্য কারণে উৎসবের দিনে বকাবকি না করলেও পারেন।
২) সঙ্গীর কোনও মতের সঙ্গে মিল না-ই হতে পারে। সকলের ভাবনাচিন্তা যে এক বিন্দুতে গিয়ে মিলবে, এমন নয়। মত বা ভাবনার অমিল হলে সেই মুহূর্তে তাঁকে না জানানোই ভাল। এতে অকারণে একটা ভারী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এমন উৎসবমুখর দিনে এই বিষয়গুলি এড়িয়ে চলাই ভাল। উৎসব শেষ হলে না হয় যা বলার বলবেন।
৩) নতুন নতুন প্রেম হলে রাস্তায় হাঁটাহাঁটির চেয়ে রেস্তরাঁর নিভৃত কোণই পছন্দ করেন অনেক যুগল। পুজো মানেই ভূরিভোজ। খাবারের বরাত দেওয়ার আগে একে-অপরের পছন্দ জেনে নিন। দু’জনেই ভালবাসেন এমন খাবার নিন। খাবারের দামও দু’জনে ভাগ করে দিতে পারেন। সঙ্গী না নিতে চাইলেও অন্তত দেওয়ার একটা উদ্যোগ নিন।
আরও পড়ুন:
৪) উৎসবের আবহে সঙ্গীকে একটু চমকে দিতে পারেন। তার জন্য বিশাল কোনও আয়োজন করতে হবে এমন নয়। সঙ্গীর জন্য তাঁর পছন্দের চকোলেট নিয়ে যেতে পারেন। কিংবা কোনও সুগন্ধি দিলেন। কী দিচ্ছেন সেটা বড় কথা নয়, মনে করে কিছু দেওয়ার এই প্রয়াসই হয়তো সঙ্গীর মনে আপনার প্রতি অনুভূতি কয়েক ধাপ বাড়িয়ে দেবে।
৫) সঙ্গী পাশে থাকলে পুজোর কোলাহলে নয় তাঁর দিকে বেশি মনোযোগ দিন। পুজোর ভিড় এড়িয়ে পাশাপাশি হাঁটতে কোনও ফাঁকা রাস্তা খুঁজে বার করে নিতে পারেন। উৎসবের আবহে যদিও সেটা খুঁজে পাওয়া কঠিন। তবে অসম্ভব নয়। একসঙ্গে খুঁজলে ঠিক পেয়ে যাবেন।