Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

৩০ জুন ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Jealous partner: স্বামীর মহিলা বন্ধুদের নিয়ে কেন বেশি ঈর্ষান্বিত হন মহিলারা? কী বলছে সমীক্ষা

পুরুষ এবং মহিলা উভয়ই সঙ্গীর বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুদের নিয়ে ঈর্ষা প্রকাশ করে থাকেন। পুরুষ না মহিলা, কাদের প্রবণতা বেশি এ বিষয়ে?

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৯ মে ২০২২ ১৮:২২
Save
Something isn't right! Please refresh.
পুরুষদের চেয়ে মহিলারা তাঁদের স্বামীর মহিলা বন্ধুকে নিয়ে বেশি ঈর্ষান্বিত থাকেন।

পুরুষদের চেয়ে মহিলারা তাঁদের স্বামীর মহিলা বন্ধুকে নিয়ে বেশি ঈর্ষান্বিত থাকেন।
ছবি: সংগৃহীত

Popup Close

প্রিয়জনকে হারানোর ভয় কম বেশি সকলের মধ্যেই আছে। প্রিয়জন যদি বিপরীত লিঙ্গের কারও সঙ্গে বেশি মেলামেশা করেন, অনেকেরই তাতে সমস্যা হয়।পুরুষ এবং মহিলা উভয়ই নিজেদের সঙ্গীকে বিপরীত লিঙ্গের কারও সঙ্গে দেখলে একটু হলেও ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েন। এমন দৃশ্য সিনেমা, গল্প, উপন্যাসের মতোই বাস্তবেও আকছাড় দেখতে পাওয়া যায়।

তবে সমীক্ষা বলছে, পুরুষদের চেয়ে মহিলারা তাঁদের স্বামীর মহিলা বন্ধুকে নিয়ে বেশি ঈর্ষান্বিত থাকেন। সম লিঙ্গের বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে এমনটা সাধারণত দেখা যায় না। সমীক্ষা অনুযায়ী, মহিলাদের মধ্যে এই বিষয়ে ঈর্ষার ভাগ বেশি থাকলেও কম যান পুরুষরাও। স্ত্রীয়ের কোনও সুদর্শন পুরুষ বন্ধু থাকলে স্বামীরাও শুধু ঈর্ষান্বিত নয়, পাশাপাশি চিন্তাতেও পড়ে যান। মূলত দু’পক্ষেই ভাবেন, যে তাঁদের প্রিয়জন যেন বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুর সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ হয়ে না পড়েন।

বিশেষ করে যাঁরা সঙ্গীকে নিয়ে অত্যন্ত রক্ষণশীল, তাঁরা তো আরও বেশি চিন্তায় থাকেন। তবে মহিলারা এ ব্যাপারে একটু বেশি সক্রিয়। স্বামীর কোনও মহিলা বন্ধুকে নিয়ে তাঁদের চিন্তার শেষ থাকে না। সমীক্ষা বলছে, স্বামী অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়বেন কি না, তা নিয়ে মাথা ব্যথা কম থাকে। বরং স্বামী অন্য কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করবেন কি না, তা নিয়ে বেশি চিন্তায় থাকেন মহিলারা। বিশেষ করে স্বামীর সেই মহিলা বন্ধু যদি সুন্দরী এবং আকর্ষণীয় হন।

Advertisement
বিশেষ করে যাঁরা সঙ্গীকে নিয়ে অত্যন্ত রক্ষণশীল, তাঁরা তো আরও বেশি চিন্তায় থাকেন।

বিশেষ করে যাঁরা সঙ্গীকে নিয়ে অত্যন্ত রক্ষণশীল, তাঁরা তো আরও বেশি চিন্তায় থাকেন।
ছবি: সংগৃহীত


ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক এই সমীক্ষাটি চালিয়েছিলেন। সমীক্ষা শেষে তাঁদের ধারণা, এটা সম্পূর্ণটাই মস্তিষ্কজনিত সমস্যা। মূলত মস্তিষ্কের মূল দুটি অংশ— সিঙ্গুলেট কর্টেক্স এবং ল্যাটেরাল সেপ্টাম ঈর্ষান্বিত অনুভূতিকে বেশি উদ্দীপিত করে।

তবে একে অপরের প্রতি বাড়তি বিশ্বাস রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনও সমীক্ষাই ধ্রুব সত্যি নয়। সমীক্ষা সম্পর্ক এবং জীবনকে নিয়ন্ত্রণও করে না। তাই সম্পর্ক ভাল রাখতে কোনও কিছু নিয়ে মনে খটকা তৈরি হলেও তা সরাসরি সঙ্গীকে জানান। নিজের মতো ভেবে নিয়ে দু’জনের মধ্যে জটিলতা বাড়ালে আদতে লাভ কিছুই হবে না।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement