Advertisement
E-Paper

রাত পেরোলেই অফিস, মুখের রং উঠলেও মনের রং যেতে চাইছে না? রোগের নাম ‘পোস্ট হলি ব্লুজ়’

এমনিতেই ঋতুর নাম বসন্ত। তার হাবে ভাবে উড়ুউড়ু ব্যাপার। তার উপর একটা গোটা দিন রঙের উৎসবে মেতে থাকার পরে এমন মনখারাপ স্বাভাবিক। তবে সেই মন খারাপ কাটানোরও উপায় আছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১৮:৩৫

ছবি : সংগৃহীত।

দোলের সকাল পেরিয়ে বিকেল নামা মানেই এক অদ্ভুত মনখারাপ। সারাদিনের হুল্লোড়, রং মাখা, বন্ধুদের সঙ্গে জমিয়ে মজা করা আর দেদার খাওয়াদাওয়ার পর নিশ্চয়ই অফিস যাওয়ার কথা ভেবে খারাপ লাগছে। মনে হচ্ছে আরও এক দিন ছুটি পেলে বন্ধুদের সঙ্গে আরও একটু বেশি সময় কাটানো যেত! উৎসবে ইতি টেনে যান্ত্রিক জীবনে ফেরার এই যে ক্লান্তি, তাকেই মনস্তত্ত্বের ভাষায় বলা হয় ‘পোস্ট-হলি ব্লুজ’। অর্থাৎ হলি ডে বা ছুটি পরবর্তী মনখারাপ।

এমনিতেই ঋতুর নাম বসন্ত। তার হাবে ভাবে উড়ুউড়ু ব্যাপার। তার উপর একটা গোটা দিন রঙের উৎসবে মেতে থাকার পরে এমন মনখারাপ স্বাভাবিক। তবে সেই মন খারাপ কাটানোরও উপায় আছে। ছুটির দিন থেকে কাজের দিনে ফেরার এবং পরের দিনের পাহাড় প্রমাণ কাজের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য যে মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া দরকার তা সহজ হতে পারে কিছু সহজ পদ্ধতি মানলে।

১. প্রথমেই রঙের দাগ নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ করুন। কানের পিছনে বা নখের কোণে রং দেখে অফিস কর্মীরা কী বলবেন বা মিটিংয়ে গেলে বস কিছু বলবেন কি না ভেবে ঘাবড়াবেন না। বরং রাতে শোওয়ার আগে একটু অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল দিয়ে হালকা মাসাজ করে রাখুন। পরের দিন রং আরও হালকা হয়ে যাবে। তাছাড়া রং খেলা নিয়ে কর্মক্ষেত্রে একটু ঠাট্টাতামাসা হলে কাজের মেজাজটাও হালকা হবে। কাজের জায়গাটিকে যান্ত্রিক মনে হবে না।

২. ঘুমের ব্যাপারে কোনও আপোস নয়। অফিস যখন যেতেই হবে, তখন রাতে ফোন দেখা বন্ধ করুন। সন্ধ্যা থেকে সবার স্ট্যাটাস আর রিলস চেক করতে করতে রাত ২টো বাজাবেন না। এতে চোখের ক্লান্তি তো বাড়বেই, সঙ্গে অন্যদের ছবি দেখে অজান্তেই নিজের উদযাপন ভাল ছিল না মন্দ— এমন প্রশ্ন উঠতে পারে মনে। রাত ৯টার পর ফোন দূরে সরিয়ে রাখুন। মনকে শান্ত হতে দিন।

৩. দিনের শেষে শরীরকে ‘ডিটক্স’ করার ব্যবস্থা করুন। সারাদিন লুচি-পায়েস-মাংস-মিষ্টি খাওয়ার পরে বিপাকতন্ত্রের একটু বিশ্রাম দরকার। তাই রাতে খুব হালকা খাবার খান। এক বাটি গরম সুপ বা সামান্য তরকারির সঙ্গে একটি বা দু’টি রুটি। অনেকেরই রাতে পিকনিক থাকে। তাঁরা অল্প খান এবং হালকা খান। পিকনিকে খাওয়ার থেকেও আনন্দটাই আসল। সেটা পুরোমাত্রায় করুন। তবে দেরি না করে দ্রুত বিছানায় ফেরার চেষ্টা করুন। ঘুমনোর আগে পর্যাপ্ত জল খান। এতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের আলস্য অনেক কম থাকবে।

৪. সকালে কী পোশাক পরবেন আর ব্যাগে কী কী গুছিয়ে নেবেন, তা রাতেই ৫ মিনিট ব্যয় করে সেরে ফেলুন। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। গোছানো থাকলে সকালে অনেক বেশি আরামে এবং মানসিক শান্তিতে থাকবেন।

৫. ছুটি শেষ মানেই আনন্দ শেষ নয়। বরং জমানো স্মৃতিগুলো আর প্রিয় বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো মজার মুহূর্তগুলো মনে রাখুন। কাজের ফাঁকে সময় পেলে সেই গল্প ভাগ করে নিন সহকর্মীদের সঙ্গে, দেখবেন তাঁরাও বলছেন নিজের কথা। এই আবেগের আদানপ্রদানই কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপের পরিবেশ হালকা করে দেবে। দেখবেন মন আর ততটা ভারী লাগছে না।

Dolyatra Dol Yatra
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy