Advertisement
E-Paper

Viral: রোজ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাথরুমে স্বামী, নেটমাধ্যমে সাহায্য চাইলেন স্ত্রী

স্বামীর বহু দিনের অভ্যাসে বিরক্ত স্ত্রী। বাথরুমে একবার ঢুকলে আর বাইরে আসতে চান না তিনি। কী করেন ৪৫ মিনিট ধরে?

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ অগস্ট ২০২১ ১০:২৭
বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কী করেন স্বামী?

বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কী করেন স্বামী? ছবি: সংগৃহীত

একবার বাথরুমে ঢুকলে অন্তত ৪৫ মিনিট। ‘এই আসছি’ বলে আর ফিরতেই চান না স্বামী। দিনের মাথায় এই কাণ্ড চলে চার-পাঁচ বার। সব মিলিয়ে চার ঘণ্টা কাটে সেখানে। সেটাও মেনে নিচ্ছিলেন স্ত্রী। শেষ পর্যন্ত ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে।

স্বামীর বহু দিনের অভ্যাসে বিরক্ত স্ত্রী। বাথরুমে একবার ঢুকলে আর বাইরে আসতে চান না তিনি। কী করেন ৪৫ মিনিট ধরে? নাম প্রকাশ না করে নেটমাধ্যমে এর সমাধান চেয়েছেন ইংল্যান্ডের এক মহিলা। জানিয়েছেন, এক প্রকার মেনেই নিয়েছিলেন বিষয়টি। কিন্তু একই ঘটনা যখন রেস্তরাঁয় গিয়ে ঘটল, তখন আর সামলাতে পারলেন না।

রেস্তরাঁয় খাবার আসার পরেই স্বামী বলেন, তিনি বাথরুমে যাবেন। স্ত্রী বলেন, সেখানে এমন কাণ্ড না ঘটাতে। কিন্তু তার পরেও যখন ২০ মিনিট কেটে যায়, মহিলা তাঁর স্বামীকে ফোন করেন। স্বামী বলেন, এখনই আসছেন। কিন্তু তার পরে আরও ২০ মিনিট কেটে যায়। তখন আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারেননি সেই মহিলা। তিনি একা খাবার খেয়ে ফেলেন। নিজের খাবারের দাম দিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।

স্বামীর এ হেন অভ্যাসে জেরবার মহিলা নেটমাধ্যমে সুরাহা চেয়েছেন। তাঁর প্রশ্নের নানা রকম উত্তর এসেছে। এক জন বলেছেন, চারটি সম্ভাবনা রয়েছে। ১. তিনি হয়তো ফোনে ভিডিয়ো গেম খেলেন, ২. হয়তো পর্নোগ্রাফি দেখেন বা হস্তমৈথুন করেন ৩. হয়তো সত্যিই তাঁর কোনও শারীরিক সমস্যা আছে, ৪. নাকি একেবারেই অন্য কিছু?

তবে সমস্যাটির সহজ সমাধান দিয়েছে অন্য এক জন। তাঁর বক্তব্য, ওঁকে বাথরুমে ফোন নিয়ে যেতে দেবেন না। যদি দেখা যায়, তার পরেও উনি এমন পরিমাণে সময় কাটাচ্ছেন, তা হলে বুঝতে হবে, ওঁর বড় কোনও সমস্যা আছে। সেটা হয়তো উনি বলতে পারছেন না।

মহিলা এর পরে অবশ্য জানাননি, তিনি তাঁর স্বামীর ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাথরুমে কাটানোর কারণ খুঁজে পেয়েছেন কি না। কিন্তু তার আগেই নেটমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে এই অদ্ভুত সমস্যা।

Toilet Bizzare
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy