‘বিতর্কিত’ ঘটনা নিয়ে আগেও মুখ বন্ধ রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গৌরী লঙ্কেশ হত্যা-কাণ্ডেও তিনি এখনও পর্যন্ত নীরব। মোদী কিছু না বললেও, তাঁর হয়ে সাফাই দিতে গিয়ে বিতর্ক বাড়ালেন শ্রীরাম সেনার প্রধান প্রমোদ মুথালিক। রবিবার এক জনসভায় কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদী ওই সংগঠনের প্রধান প্রমোদ বলেন, ‘‘কর্নাটকে কুকুর মারা গেলেও কি প্রধানমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে?’’

গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়ির সামনেই আততায়ীর গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের। কর্নাটক পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ছ’জনের অন্যতম পরশুরাম ওয়াগমারে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে।

পুলিশের একাংশের দাবি, শ্রীরাম সেনার ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়েছিল পরশুরাম। জেরায় ওই যুবক জানিয়েছে, গৌরী লঙ্কেশকে সে চিনত না। তবে ধর্মরক্ষার জন্য তাঁকে গৌরীকে খুন করতে বলা হয়েছিল। নির্দেশ মেনেই সে গৌরীর উপর গুলি চালায়।

ম্যাঙ্গালোরের ‘পাব’-এ একাধিক হামলার ঘটনায় শ্রীরাম সেনার নাম জড়িয়েছে। যদিও সংগঠনের প্রধান প্রমোদ মুথালিকের দাবি, ‘‘শ্রীরাম সেনা কোনও ভাবে গৌরী লঙ্কেশ হত্যায় যুক্ত নয়। পরশুরামও শ্রীরাম সেনার সঙ্গে যুক্ত নন।’’

আরও পড়ুন: সব ভোটে একটিই তালিকা চান মোদী

আরও পড়ুন: জমি নিয়ে বিবাদ, মহিলার বুকে লাথি টিআরএস নেতার

বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) কিন্তু এত তাড়াতাড়ি শ্রীরাম সেনাকে ক্লিনচিট দিতে রাজি নয়। তাদের ধারণা, পরশুরামের হয়তো ‘মগজ ধোলাই’ করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তারা বেশ কয়েক জনকে তলব করেছে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীরাম সেনার প্রথম সারির নেতা রাকেশ মঠ।