শীতের বেগুন এমনিতে বেশ সুস্বাদু। পোড়ানোই হোক বা ভাজা— গরম রুটি, লুচির সঙ্গে খেয়েও বেশ লাগে। কিন্তু মাঝেমধ্যে তো নতুন কিছু রাঁধারও ইচ্ছা যায়। তা ছাড়া স্বাদ বদল হলেও মন্দ হয় না। এ বার বরং বানিয়ে দেখুন বেগুনের কোফ্তা।মুচমুচে কোফ্তা গরম ভাত বা চায়ের সঙ্গে দিব্যি লাগবে। তবে ঝোল করে তাতে ফুটিয়েও নিতে পারেন কোফ্তাগুলি।
উপকরণ
দু’টি মাঝারি বেগুন
আরও পড়ুন:
২চামচ আদাকুচি
২টি কাঁচালঙ্কা কুচোনো
৪-৫টা কাজুবাদামের টুকরো
এক মুঠো ধনেপাতা কুচি
আধ চা-চামচ নুন
২-৩টেবিল চামচ বেসন
স্বাদমতো নুন
ঝোলের জন্য লাগবে
১ চা-চামচ গোটা জিরে
২টি শুকনো লঙ্কা
১ চা-চামচ জিরেগুঁড়ো
১ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
১ টেবিল চামচ আদাবাটা
১ টেবিল চামচ কাঁচালঙ্কাবাটা
১ টেবিল চামচ কাজুবাদামবাটা
১টি ছোট টম্যাটো বাটা
১ চা-চামচ গরমমশলার গুঁড়ো
একমুঠো টাটকা ধনেপাতা কুচি
স্বাদমতো নুন, চিনি
পরিমাণমতো সাদা বা সর্ষের তেল
প্রণালী: বেগুন ধুয়ে গ্রেটারের সাহায্য গ্রেট করে নিন। তার সঙ্গে যোগ করুন আদা, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতাকুচি, বাদামের টুকরো। স্বাদমতো নুন দিন। বেসন দিয়ে মেখে কোফ্তার মতো গোল আকার দিন। কড়াইয়ে তেল গরম হলে কোফ্তাগুলি ভেজে নিন। এবার কড়াইয়ে অল্প তেল দিয়ে শুকনো লঙ্কা, গোটা জিরে ফোড়ন দিন। আদা, হলুদ, কাঁচালঙ্কাবাটা সামান্য জলে গুলে কড়াইয়ে দিয়ে দিন। স্বাদমতো নুন যোগ করে নাড়তে থাকুন। মশলা কষে গেলে দিয়ে দিন টম্যাটো বাটা। কিছু ক্ষণ রান্না করার পর কাজুবাটা দিয়ে কষতে থাকুন। মশলা কষে এলে কিছুটা গরম জল দিন। দিন স্বাদমতো চিনি। ঝোল ফুটে গেলে কোফ্তা দিন। মিনিট পাঁচেক পরে গরমমশলা আর ধনেপাতাকুচি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।
রুটি, ভাত, পরোটা, পোলাও— সব কিছুর সঙ্গেই এটি খাওয়া যাবে। ভাজা কোফ্তাও খেতে সুস্বাদু হয়।