এশিয়া কাপে খেলতে মহেন্দ্র সিংহ ধোনি, কুলদীপ যাদব, কেদার যাদব-সহ ভারতীয় ক্রিকেট দলের বেশ কিছু সদস্য বৃহস্পতিবারই পৌঁছে গেলেন দুবাই। ইংল্যান্ড থেকে বাকি ক্রিকেটারদের চলে আসার কথা ১৬ তারিখের মধ্যে। ১৮ তারিখ হংকংয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার পরের দিনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বৈরথ রোহিত শর্মার দলের। 

ইংল্যান্ড সফরে ভারতের অন্যতম সফল বোলার যশপ্রীত বুমরা এই মুহূর্তে আইসিসি ওয়ান ডে-র বোলিং র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে আছেন। আসন্ন এশিয়া কাপেও নিজের এই র‌্যাঙ্কিং ধরে রাখতে চান বুমরা। ভারতের এই পেসার বলেছেন, ‘‘এশিয়া কাপে দারুণ লড়াই হতে চলেছে। এই প্রতিযোগিতা খেলার জন্য আমি মুখিয়ে আছি।’’ তিনি এখন বিশ্বের এক নম্বর ওয়ান ডে বোলার। যা নিয়ে বুমরার মন্তব্য, ‘‘আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর থাকাটা অবশ্যই আমার কাছে গর্বের ব্যাপার। এশিয়া কাপে আমাদের বিশ্বের অন্যতম সেরা কয়েক জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে খেলতে হবে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবহাওয়ায় পেসারদের ভাল কিছু করা বেশ কঠিন হবে। কিন্তু আমি তার মধ্যেই নিজের সেরাটা দিতে চাই।’’

সাদা বলের ক্রিকেটে বুমরা এবং ভুবনেশ্বর কুমারের জুটিকে একটা সময় বিশ্বের সেরা বলা হত। কিন্তু চোট আঘাতের সমস্যা ভুগিয়েছে দু’জনকেই। ভুবনেশ্বরের রিহ্যাব চলেছে, বুমরাও ভারতীয় দলে ফিরেছেন ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজের মাঝ পথে। এই অবস্থায় আবার দুবাইয়ে দেখা যাবে এই জুটিকে। তার আগে বুমরা জানাচ্ছেন, তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী এশিয়া কাপে ভাল কিছু করার ব্যাপারে। 

তবে বিরাট কোহালি ছাড়া ভারতীয় দল কতটা কী করবে, তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। যে প্রশ্ন অনেকাংশেই ভেসে আসছে পাকিস্তান ক্রিকেট মহল থেকে। পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার ইয়াসির আরাফাত বলেছেন, ‘‘ভারতীয় দল নিঃসন্দেহে অভিজ্ঞ। দুবাই, আবু ধাবির আবহাওয়ায় ওরা সমস্যায় পড়বে না। কিন্তু এটাও ঠিক যে, কোহালি ছাড়া কিন্তু ভারতীয় দল দুর্বল হয়ে পড়বে।’’ প্রায় একই রকম ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে পাকিস্তানের নতুন ওপেনার ইমাম উল হকের কথাতেও। বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‘ভারত অবশ্যই ভাল দল। কিন্তু বিরাট কোহালির না খেলাটা একট তফাত গড়ে দেবে।’’

১৯ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান। যে ম্যাচ নিয়ে ইমাম বলছেন, ‘‘ভারতীয় দলের ব্যাটিং যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে আমরা ওই ম্যাচটাকে আর পাঁচটা ম্যাচের মতোই দেখছি।’’ পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক ইনজামাম উল হক মনে করেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পিচে স্পিনারেরা সুবিধে পাবেন। পাকিস্তানের প্রাক্তন এই ক্রিকেটার বলেন, ‘‘ওখানকার পিচ মন্থর হবে বলেই মনে হয়। তাই স্পিনাররা সুবিধে পাবে বলেই আমার ধারণা। আমাদের দলে ভাল স্পিনারই আছে। শাদাব খান প্রতিযোগিতায় ভাল করবে বলেই আমার বিশ্বাস।’’