আইপিএলের অন্যতম সেরা বোলিং আক্রমণ তৈরি করেও চাপে কলকাতা নাইট রাইডার্স। মুস্তাফিজুর রহমান, হর্ষিত রানা নেই। মাথিশা পাথিরানাকে কবে থেকে পাওয়া যাবে, তা-ও অনিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক নায়ারেরা তাকিয়ে রয়েছেন মূলত বৈভব অরোরার দিকে। পঞ্জাবের জোরে বোলার দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। আসন্ন আইপিএলে কলকাতার জসপ্রীত বুমরাহ হয়ে উঠতে চান।
এ বারের আইপিএলে কেকেআরের সবচেয়ে অভিজ্ঞ জোরে বোলার বৈভব। দলের পরিস্থিতি জানেন। কেকেআর কর্তৃপক্ষ যে তাঁর উপর নির্ভর করতে চাইছেন, তা-ও জানেন। ২৮ বছরের বোলার নিজেকে উজাড় করে দিয়ে দলকে সাহায্য করতে চান। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বৈভব বলেছেন, ‘‘সব সময় বুমরাহের বোলিং দেখার চেষ্টা করি। সে যে ম্যাচই হোক। নতুন বল, মাঝের ওভার বা শেষ দিকের ওভার— বুমরাহ বল করলেই দেখি। বুমরাহ সব সময় দলের জন্য নিজের সেরাটা দেয়। যে কোনও সময় একাই ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে। আমি বুমরাহকে শ্রদ্ধা করি। ওর মতো বল করার চেষ্টা করি। বুমরাহ যে ভাবে ভারতীয় দলকে সাহায্য করে, ঠিক সে ভাবে আমিও নিজের দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করি।’’
বুমরাহের সঙ্গে যতটা পারেন যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেন বৈভব। বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলারের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করেন। কেকেআরের বোলার বলেছেন, ‘‘আইপিএলের সময় কয়েক দিন দেখা হয়। সামনে থেকে ওর বোলিং দেখার সুযোগ পাই। কাছে পেলে পরামর্শ নেওয়ার চেষ্টা করি। যতটা সম্ভব শেখার চেষ্টা করি। গত বছর ভারতীয় দলের নেট বোলার ছিলাম। তখনও অনেক পরামর্শ পেয়েছিলাম। বুমরাহ কখনও বাড়তি কিছু চেষ্টা করার কথা বলে না। ওর বক্তব্য খুব সহজ। আমায় বলেছে, ‘যেটা পার, সেটাই আরও ভাল করে করার চেষ্টা কর। নিজের অনুশীলনের পদ্ধতি মেনে চল। যত বেশি অনুশীলন করবে, তত ভাল বল করবে। একই জিনিস বার বার করবে, তাতে নিখুঁত হওয়া যায়। ততে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। পারফরম্যান্স ভাল হয়।’ আমি ঠিক সেটাই করি।’’ বুমরাহ ছাড়া ভারতীয় দলের আরও এক সদস্যের পরামর্শ নিয়মিত পান বৈভব। তিনি অর্শদীপ সিংহ। বন্ধু অর্শদীপও সাহায্য করেন কেকেআরের বোলারকে।
আরও পড়ুন:
গত বছর আইপিএলে ১২টি ম্যাচে ১৭টি উইকেট পেয়েছিলেন বৈভব। বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যুগ্ম ভাবে দলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছিলেন। ওভার প্রতি ১০.১১ রান দিয়েছিলেন। এ বার আরও ভাল পারফর্ম করে দলকে সাহায্য করতে চান আত্মবিশ্বাসী বৈভব। কেকেআরের হয়ে সব মিলিয়ে ৩৩ ম্যাচে ২৭ উইকেট রয়েছে তাঁর।