শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে শনিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমে ব্যাট করে ২১২/৮ তুলল পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার বোলারদের শাসন করে খেললেন দুই ওপেনার সাহিবজ়াদা ফারহান এবং ফখর জ়মান। সেমিফাইনালে উঠতে গেলে পাকিস্তানকে অন্তত ৬৪ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। ফলে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ বা তার কম রানে আটকে রাখতে হবে। এ দিন শতরান করেছেন ফারহান। পাশাপাশি বিরাট কোহলির নজিরও ভেঙে দিয়েছেন তিনি। ৯টি চার এবং ৫টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ১০০ করে আউট হন ফারহান।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকে পাকিস্তান। আক্রমণে পুরোভাগে ছিলেন ফারহানই। দ্বিতীয় ওভারে দুষ্মন্ত চামিরাকে চার মেরে শুরু। এর পর দাসুন শনাকা, মাহিশ থিকশানা, দুনিত ওয়েল্লালাগে— কাউকেই পরোয়া করেননি তিনি। ব্যক্তিগত ৩৭ রানের মাথায় টপকে যান কোহলিকে।
২০১৪-র বিশ্বকাপে ছয় ইনিংসে ৩১৯ রান করেছিলেন কোহলি। একটি বিশ্বকাপে সর্বাধিক রানের নজির ছিল এটিই। তা ভেঙে দিলেন ফারহান। তিনিও ছ’টি ইনিংসে এই কীর্তি গড়েছেন। কোহলির আগে নজির ছিল তিলকরত্নে দিলশানের। ২০০৯ বিশ্বকাপে তিনি ৩১৭ রান করেছিলেন। এ ছাড়া একটি বিশ্বকাপে ৩০০-র গণ্ডি পেরনোর নজির রয়েছে বাবর আজ়ম (৩০৩, ২০২১) এবং মাহেলা জয়বর্ধনের (৩০২, ২০১০)।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের ওপেনারদের শাসন এতটাই ছিল যে উইকেটই ফেলতে পারছিল না শ্রীলঙ্কা। ফারহান না ফখর, কে আগে শতরান করবেন তাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে ফখর শতরান পাননি। ৮৪ রানে তিনি চামিরার বলে আউট হন। তত ক্ষণে আরও একটি নজির গড়ে ফেলেছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ওপেনিং জুটিতে সর্বাধিক রান তুলেছে তারা। এই বিশ্বকাপেই নিউ জ়িল্যান্ডের টিম সেইফার্ট এবং ফিন অ্যালেন ওপেনিং জুটিতে ১৭৫ রান তুলেছিলেন। সেই নজির ভেঙে গেল এ দিন।
পাকিস্তানের দুই ওপেনার আউট হওয়ার পর আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি। দু’অঙ্কের রানও করতে পারেননি কেউ।